(1) তোমাদের ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম কি?
উত্তর: পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা।
(2) আমরা খাবারের জন্য গাছের উপর কিভাবে নির্ভর করি?
উত্তর: চাল, আটা ইত্যাদি আমরা উদ্ভিদ থেকে পাই। এছাড়াও গাছ থেকে আমরা ফল ও শাকসবজি পাই।
(3) গাজরের কোন অংশ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তর: মূল।
(4) আদা গাছের কোন অংশ আমরা খাই?
উত্তর: কান্ড।
(5) চালতা ফুলের কোন অংশ ফলে পরিণত হয়?
উত্তর: বৃতি।
(6) গাছের কোটরে বাসা করে এমন একটি প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: কাঠবেড়ালি।
(7) লাল পিঁপড়ে কিভাবে বাসা তৈরি করে?
উত্তর: লাল পিঁপড়ে যেকোনো চওড়া, গোল পাতাওয়ালা গাছের পাতাকে মুড়ে বাসা তৈরি করে।
(8) লাল পিঁপড়ের আরেক নাম লেখ।
মোউত্তর: নালসো।
(9) হাতপাখা কোন গাছের পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়?
উত্তর: তাল গাছের পাতা।
(10) ____ দিয়ে তৈরি হয় সুতো কিংবা দড়ি।
উত্তর: তন্তু।
(11) তন্তু পাওয়া যায় এমন চারটি গাছের নাম লেখ।
উত্তর : কার্পাস, শিমুল, পাট ও নারকোল।
(12) কাঠ পালিশ করতে কি লাগে?
উত্তর: রজন।
(13) কোন গাছ থেকে ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ পাওয়া যায়? এই ওষুধের নাম কি?
উত্তর: সিঙ্কোনা।
◽ এই ওষুধের নাম কুইনাইন।
(14) পেনসিলের দাগ মোছার জন্য কি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: রবার।
(15) শ্বাস ছাড়ার সময় আমরা কোন গ্যাস ত্যাগ করি?
উত্তর: কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
(16) পরাগ মিলনে সাহায্য করে এমন তিনটি প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: মৌমাছি, প্রজাপতি ও মৌটুসী পাখি।
(17) পরাগ মিলন কাকে বলে?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় এক ফুলের পরাগরেণু সেই ফুল কিংবা অন্য ফুলে এসে পড়ে, তাকে পরাগ মিলন বলে।
(18) মৌটুসি কিভাবে কল্কে ফুলকে সাহায্য করে?
উত্তর: মৌটুসী কল্কে ফুলের মিষ্টি রস খাওয়ার সময় তার লম্বা ঠোটে রেণু লেগে যায়। অন্য ফুলের মিষ্টি রস খাওয়ার সময় সেই রেনু সেই ফুলে লেগে পরাগ মিলনে সাহায্য করে।
(19) বাদুড় কিভাবে উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে?
উত্তর: বাদুড় ফল খায়। কিন্তু ফলের বীজগুলো হজম করতে পারেনা। ফলে বীজগুলো মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। ওই বীজগুলো থেকে নতুন চারাগাছ জন্মায়।
(20) বনবিড়াল ও শেয়াল উদ্ভিদের বংশবিস্তারে কিভাবে সাহায্য করে?
উত্তর: বন বিড়াল ও শেয়াল এর দেহ লোমশ। অনেক উদ্ভিদের ফল তাদের দেহে লেগে গিয়ে দূরে ছড়িয়ে পড়ে।
(21) ধানের জমিতে অ্যাজোলার চাষ করা হয় কেন?
উত্তর: অ্যাজোলা এক ধরনের পানা। এর পাতার মধ্যে অ্যানাবেনা নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে যারা বাতাসের নাইট্রোজেনকে বেঁধে ফেলতে পারে। তাতে অ্যাজোলার উপকার হয়। কারণ সারের জন্য নাইট্রোজেন লাগে। জমিতে অ্যাজোলা দেওয়া সারের কাজ করে। তাই জমিতে অ্যাজলার চাষ করা হয়।
(22) সাগর কুসুম ও ক্লাউন মাছ কিভাবে পরস্পরকে সাহায্য করে বেঁচে থাকে?
উত্তর: ক্লাউন মাছ সাগর কুসুমের সঙ্গে থাকে ও সাগর কুসুমের শত্রু বাটারফ্লাই মাছকে তাড়িয়ে দেয়। সাগর কুসুমের খাবারের পড়ে থাকা অংশ ভাগ পায় ক্লাউন মাছ। আবার ক্লাউন মাছকে তাড়া করে আসা প্রাণীদের সাগর কুসুম শিকার করে।
(23) হানিডিউ কি?
উত্তর: জাব পোকারা গাছের শর্করা-সমৃদ্ধ রস শোষণ করে শর্করা-সমৃদ্ধ বর্জ্য ত্যাগ করে। এই বর্জ্যের নাম হানিডিউ।
(24) পিঁপড়েরা জাব পোকাদের লালন-পালন করে কেন?
উত্তর: জাব পোকারা গাছের শর্করা-সমৃদ্ধ রস শোষণ করে শর্করা-সমৃদ্ধ বর্জ্য ত্যাগ করে। এই বর্জ্যের নাম হানিডিউ। এটা পিঁপড়েদের খুব পছন্দের খাবার। তাই পিঁপড়েরা জাব পোকাদের লালন-পালন করে।
(25) সাগরকুসুম ও সন্ন্যাসী কাকড়ার মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্ক কেমন তা সংক্ষেপে লেখ।
উত্তর: সন্ন্যাসী কাঁকড়া পিঠে করে সাগর কুসুমকে বইয়ে নিয়ে বেড়ায়। সাগরকুসুম তার বিষাক্ত টেন্ট্যাকলের দিয়ে সন্ন্যাসী কাঁকড়াকে রক্ষা করে। সন্ন্যাসী কাঁকড়া খাবারের খোঁজে গেলে সাগরকুসুমও সেই খাবারের ভাগ পায়।
(26) বন-বিড়ালের আরেক নাম ______।
উত্তর: খট্টাস।
(27) মাংসাশী প্রাণী কাদের বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব প্রাণী অন্য প্রাণীদের খায় তাদের মাংসাশী প্রাণী বলে। যেমন: বাঘ, সিংহ , বন-বিড়াল ইত্যাদি।
(28) যারা অন্য জীবদের বা জীবদেহের কোন অংশ খায় তারাই ____।
উত্তর: খাদক।
(29) একটি বহি: পরজীবী ও একটি অন্ত: পরজীবীর নাম লেখ।
উত্তর: বহি: পরজীবী - উকুন। অন্ত: পরজীবী - কৃমি।
(30) একটি পরজীবী উদ্ভিদের নাম লেখ।
উত্তর: স্বর্ণলতা।
(31) যক্ষার জীবাণু কোথায় বাসা বাঁধে?
উত্তর: ফুসফুস, হাড় ও নানা অঙ্গে।
(32) ফিতাকৃমি আমাদের দেহের কোন কোন অঙ্গে বাসা বাঁধে?
উত্তর: পাকস্থলী, অন্ত্র, পেশী, মস্তিষ্ক ও যকৃত।
(33) ম্যালেরিয়ার জীবাণু শরীরের কোন অংশকে আক্রমণ করে?
উত্তর: যকৃত ও লোহিত রক্ত কণিকা।
(34) আমাশয় এর জীবাণু দেহের কোথায় বাসা বাঁধে?
উত্তর: অন্ত্র।
(35) প্রাণী থেকে পায় এমন পাঁচটি খাবারের নাম লেখ। অথবা, পাঁচটি প্রাণীজ খাবার উৎসের নাম লেখ।
উত্তর: ডিম, মাংস, দুধ, মধু, মাখন।
(36) উদ্ভিদ থেকে পায় এমন পাঁচটি খাবারের নাম লেখ। অথবা, পাঁচটি উদ্ভিজ্জ খাবার উৎসের নাম লেখ।উত্তর: চাল, গম আটা শাকসবজি ও ফল।
(37) সিল্ক পাওয়া যায় ____ থেকে।
উত্তর: রেশম মথ।
(38) কড, হাঙ্গরের লিভারের যকৃতের তেলে কোন ভিটামিন থাকে?
উত্তর ভিটামিন A ও ভিটামিন D ।
(39) ভিটামিন A ও ভিটামিন D এর একটি করে কাজ লেখ।
উত্তর: ভিটামিন A চোখ ভালো রাখে এবং ভিটামিন D হাড়কে মজবুত করে।
(40) দূষণ কমাতে সাহায্য করে এমন 3 টি প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: কাক, শকুন ও শুকর।
(41) কাককে ঝাড়ুদার পাখি বলে কেন?
উত্তর: কাক আশেপাশে নানান নোংরা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশকে পরিষ্কার রাখে। তাই কাককে ঝাড়ুদার পাখি বলে।
(42) পরিবহনে সাহায্য করে এমন দুটি প্রাণীর নাম লেখ।উত্তর: গরু ঘোড়া ইত্যাদি ।
(43) চাষের কাজে কোন প্রাণী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: গরু।
(44) বর্তমানে গরুর বদলে চাষের কাজের ট্রাক্টর ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: কম সময়ে অনেক কাজ করা যায় এবং পরিশ্রম কম হয় তাই ট্রাক্টর ব্যবহার করা হয়।
(45) দুধ থেকে দই তৈরি করতে কোন জীবাণু সাহায্য করে?
উত্তর: ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
(46) দই তৈরি করতে দইয়ের সাজা লাগে কেন?
উত্তর: দইয়ের সাজাতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। দুধের মধ্যে এই সাজা মিশিয়ে দিলে এই ব্যাকটেরিয়া দুধকে দই এ পরিণত করে।
(47) দই এ কোন অ্যাসিড থাকে?
উত্তর: ল্যাকটিক অ্যাসিড।
(48) পাউরুটির গা ফুটো ফুটো হয় কেন?
উত্তর: পাউরুটি তৈরির জন্য ময়দা বা আটার সঙ্গে ইস্ট মেশানো হয়। ময়দা বা আটায় থাকা শর্করাকে এই ইস্ট ভেঙ্গে দেয়। এর ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর অ্যালকোহল উৎপন্ন হয়। এই কার্বন ডাই-অক্সাইড বেরোনোর সময় পাউরুটি ফুটো ফুটো হয়ে যায়।
(49) ইস্ট হল এক প্রকার ____ ছত্রাক।
উত্তর: এককোষী।
(50) স্ট্রেপটোমাইসেস হল এক ধরনের _____ _____।উত্তর: উপকারী ব্যাকটেরিয়া।
(51) স্ট্রেপটোমাইসেস থেকে পাওয়া দুটি ঔষধের নাম লেখ।
উত্তর: স্টেপটোমাইসিন, এরিথ্রোমাইসিন ইত্যাদি।
(52) অধ্যায় 2 : আমাদের চারপাশের ঘটনা সমূহএকক: একমুখী ও উভমুখী ঘটনা।প্রশ্ন: বরফ গলে জল হওয়া কি ধরনের ঘটনা?
উত্তর: উভমুখী ঘটনা।
(53) গরমকালের রোদে রাস্তার পিচ গলে যাওয়া ____ ঘটনা।উত্তর: উভমুখী।
(54) চাল ফুটিয়ে ভাত রান্না করা ___ ঘটনা।
উত্তর: একমুখী।
(55) খাবার খেয়ে হজম হওয়া ___ ঘটনা।
উত্তর: একমুখী ঘটনা।
(56) কি ঘটছেএকমুখী/ উভমুখীবৃষ্টিপাতউভমুখীজলের বাষ্পীভবনউভমুখমূলের সাহায্যে জল শোষণএকমুখীপাতা থেকে বাষ্পমোচনএকমুখী
(57) জোয়ার-ভাটা পর্যাবৃত্ত না অপর্যাবৃত্ত ঘটনা?উত্তর: পর্যাবৃত্ত।
(58) সিলিং ফ্যানের ব্লেডের ঘোরা পর্যাবৃত্ত না অপর্যাবৃত্ত ঘটনা?
উত্তর: পর্যাবৃত্ত ঘটনা।
(59) নিচের ছকটি পূরণ কর কি ঘটনাপর্যাবৃত্ত না অপর্যাবৃত্তরাস্তার গাড়ি আসা যাওয়াঅপর্যাবৃত্তগাছের পাতা ঝরে পড়াঅপর্যাবৃত্তসাপের খোলস ত্যাগপর্যাবৃত্তসুনামিঅপর্যাবৃত্তলিপইয়ারপর্যাবৃত্তসমুদ্রের জলের ঢেউঅপর্যাবৃত্তস্কুলের ক্লাসের পিরিয়ডপর্যাবৃত্তআকাশের ধুমকেতু দেখাপর্যাবৃত্ত
(60) গাছের ফুল ফোটা - অভিপ্রেত /অনভিপ্রেত ঘটনা।উত্তর: অভিপ্রেত ঘটনা।
(61) বীজ থেকে নতুন চারা গাছ জন্মানো অভিপ্রেত / অনভিপ্রেত ঘটনা।
উত্তর: অভিপ্রেত ঘটনা।
(62) যেখানে সেখানে নোংরা আবর্জনা ফেলা অভিপ্রেত /অনভিপ্রেত ঘটনা?
উত্তর: অনভিপ্রেত ঘটনা।
(63) চোরা শিকারিদের হাতে বনের পশু মৃত্যু - প্রাকৃতিক / মনুষ্যসৃষ্ট ঘটনা।উত্তর : মনুষ্যসৃষ্ট।
(64) কীটনাশক স্প্রে করা ও পোকামাকড়ের বিনাশ করা - প্রাকৃতিক / মনুষ্যসৃষ্ট ঘটনা।
উত্তর: মনুষ্যসৃষ্ট ঘটনা।
(65) ঘটনাঅভিপ্রেত না অনভিপ্রেতপ্রাকৃতিক না মনুষ্যসৃষ্টমুরগির ডিম ফুটে বাচ্চা হওয়াঅভিপ্রেতপ্রাকৃতিকউনুন জ্বালিয়ে রান্নাঅনভিপ্রেতমনুষ্যসৃষ্টভূমিকম্পঅনভিপ্রেতপ্রাকৃতিক
(66) জমিতে দীর্ঘদিন সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে কি ক্ষতি হয়?
উত্তর: জমিতে দীর্ঘদিন সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে তা ধুয়ে জলাশয়ে যায়। তা জলাশয় এর মাছের দেহে প্রবেশ করে। সেই মাছ মানুষ খেলে ওই বিষাক্ত সার ও কীটনাশক মানুষের দেহের প্রবেশ করে এবং নানা অঙ্গের ক্ষতি করে।
(67) দুটি রাসায়নিক সারের নাম লেখ।উত্তর: ইউরিয়া ও ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট।
(68) ম্যালাথিয়ন হল এক ধরনের ____।উত্তর: রাসায়নিক কীটনাশক।
(69) কার্বারিল কি ?উত্তর: এক ধরনের রাসায়নিক কীটনাশক।
(70) শুয়োপোকা থেকে প্রজাপতি হওয়া কি ধরনের ঘটনা? উত্তর: মন্থর ঘটনা।
(71) ব্যাঙাচি থেকে ব্যাঙ হওয়া কি ধরনের ঘটনা?উত্তর: মন্থর ঘটনা।
(72) আম গাছের মুকুল থেকে আম হওয়া কি ধরনের ঘটনা? উত্তর: মন্থর ঘটনা।
(73) কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক স্প্রে করা হয় কেন?উত্তর: স্প্রে করলে একটি ফোঁটা অনেক ছোট ছোট ফোঁটায় ভেঙ্গে যায়। এতে তাড়াতাড়ি রাসায়নিক বিক্রিয়া করার সুযোগ পায় এবং কাজ দ্রুত হয়।অনুরূপ প্রশ্ন : রান্না করার সময় তরকারি টুকরো টুকরো করে কেন দেওয়া হয়?
(74) সবজিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেন রান্না করা হয়?উত্তর: ছোট ছোট টুকরো করলে টুকরো গুলোর মোট ক্ষেত্রফল বেশি হওয়ার জন্যই তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়।
(75) লোহায় মরচে পড়া কি ধরনের পরিবর্তন?উত্তর: রাসায়নিক পরিবর্তন।
(76) ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক পরিবর্তনের পার্থক্য লেখ।ভৌত পরিবর্তনরাসায়নিক পরিবর্তনএই পরিবর্তনে পদার্থের বাহ্যিক পরিবর্তন হয়।এই পরিবর্তনের পদার্থের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন হয়।সহজেই আগের অবস্থায় ফেরানো যায়।সহজে আগের অবস্থায় ফেরানো যায় নানতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় না।নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয়।উদাহরণ বরফ গলে জল হওয়ালোহায় মরিচা পড়া
(77) আপেল বা ডাবের মুখ কেটে রাখলে বাদামি ছোপ ধরে কেন? উত্তর: আপেল বা ডাবের মুখ কেটে রাখলে তা অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এর ফলে বাদামি ছোপ ধরে।
(78) আলু কেটে রাখলে বাদামি ছোপ ধরে কেন? উত্তর: আলু কেটে রাখলে তা অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এর ফলে বাদামি ছোপ ধরে।
(79) একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দাও ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন একইসাথে ঘটে।উত্তর: মোমবাতি জ্বালালে মোম যেমন পুড়ে যায় (রাসায়নিক পরিবর্তন) তেমনি মোম গলেও যায় (ভৌত পরিবর্তন)।
(80) শীতকালে পা ও ঠোঁট ফেটে যায় কেন?উত্তর: শীতকালে বাতাস শুষ্ক হয় । তাই পা ঠোঁট থেকে জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করে। সেই কারণে শীতকালে পা ও ঠোঁট ফেটে যায়।
(81) ঘটনাএকমুখী/উভমুখিপ্রাকৃতিক/মনুষ্যসৃষ্টভৌত/রাসায়নিকগাছের কাঁচা ফল পেকে গেলএকমুখীপ্রাকৃতিকভৌত ও রাসায়নিকশুয়োপোকা থেকে প্রজাপতি হলএকমুখীপ্রাকৃতিকরাসায়নিক পরিবর্তনফুটবলে পাম্প দেওয়াউভমুখীমনুষ্যসৃষ্টভৌতমোমবাতি জ্বালানোএকমুখী ও উভমুখীমনুষ্যসৃষ্টভৌত ও রাসায়নিকউদ্ভিদ দেহ থেকে কয়লা তৈরিএকমুখীপ্রাকৃতিকভৌত ও রাসায়নিকদেহের ভাঙ্গা হাড়ের ছবি এক্সরে করাএকমুখীমনুষ্য সৃষ্টরাসায়নিকদূধ থেকে ছানা কাটানোএকমুখীমনুষ্যসৃষ্টরাসায়নিকমাখন গলানোউভমুখীমনুষ্যসৃষ্টভৌতগাছের পাতার রঙ পাল্টে যাওয়াএকমুখীপ্রাকৃতিকরাসায়নিক
(82) অধ্যায়: মৌলিক, যৌগিক ও মিশ্র পদার্থপদার্থের কয়টি অবস্থা ও কি কি? উত্তর: তিনটি অবস্থা। যথা: কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা।
(83) ধাতুর চারটি বৈশিষ্ট্য লেখো।উত্তর: তাপের সুপরিবাহী। তড়িৎ এর সুপরিবাহী।উপর থেকে ফেললে বিশেষ ধাতব শব্দ হয়। পিটিয়ে পাতলা পাতে পরিণত করা যায়।
(84) নিচের পদার্থ গুলির মধ্যে কোনগুলি ধাতু ও কোনগুলি অধাতু তা লেখ। সোনা, রুপো, অ্যালুমিনিয়াম, গন্ধক (সালফার), দস্তা, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন।উত্তর: ধাতুঅধাতুসোনা, রুপো, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তাগন্ধক (সালফার), নাইট্রোজেন, অক্সিজেন।
(85) একটি তরল ধাতুর নাম লেখ ও চিহ্ন লেখ।
উত্তর: পারদ।পারদের চিহ্ন : Hg
(86) পারদের ল্যাটিন নাম কি?
উত্তর: Hydrargyrum
(87) একটি তরল অধাতুর নাম ও চিহ্ন লেখ।
উত্তর: ব্রোমিন (Br)
(88) ধাতু ও অধাতুর পার্থক্য লেখ চারটি।ধাতুঅধাতুধাতু চকচকে হয়অধাতু চকচকে হয় না (ব্যতিক্রম- হিরে)ধাতু তড়িৎ এর সুপরিবাহীঅধাতু তড়িৎ এর কুপরিবাহী (ব্যতিক্রম- গ্রাফাইট)ধাতুকে পাতলা পাতে পরিণত করা যায়অধাতুকে পাতলা পাতে পরিণত করা যায় নাউদাহরণ সোনা, রূপো, লোহা ইত্যাদিউদাহরণ অক্সিজেন, কার্বন, নাইট্রোজেন
(89) মৌলিক পদার্থ কাকে বলে ? উদাহরণ দাওউত্তর: যে বিশুদ্ধ পদার্থের মধ্যে কেবল সেই পদার্থ থাকে, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। যেমন: হাইড্রোজেন(H), হিলিয়াম (He), লিথিয়াম (Li), বেরিলিয়াম (Be), বোরন (B), কার্বন (C), নাইট্রোজেন (N), অক্সিজেন (O), ফ্লুরিন (F), নিয়ন (Ne)।
(90) জল কোন কোন মৌল দ্বারা গঠিত?উত্তর: হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
(91) জল মৌলিক না যৌগিক পদার্থ যুক্তিসহ লেখ।উত্তর: জল একটি যৌগিক পদার্থ যুক্তি: জলের অনু অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত। অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় জল তৈরি হয়। তাই জল যৌগিক পদার্থ।
(92) ম্যাগনেসিয়াম ফিতাকে বাতাসে পোড়ালে কি ঘটে? উত্তর: ম্যাগনেসিয়াম ফিতাকে বাতাসে পোড়ালে অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) উৎপন্ন করে।
(93) ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড এর সংকেত লেখ। উত্তর: MgO
(94) অক্সিজেনের দুটি ধর্ম লেখো। উত্তর: বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস ।নিজে জ্বলে না কিন্তু জ্বলতে সাহায্য করে বাতাসের চেয়ে সামান্য ভারি।
(95) হাইড্রোজেনের দুটি ধর্ম লেখো। উত্তর: বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস ।নিজে জ্বলে কিন্তু জ্বলতে সাহায্য করে না।বাতাসের চেয়ে হালকা।
(96) উঁচু পাহাড়ের উপরে শ্বাসকষ্ট হয় কেন?উত্তর: উঁচু পাহাড়ে বাতাস পাতলা হয়ে যায়, অর্থাৎ সেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। কম অক্সিজেনের কারণে আমাদের শরীর ও ফুসফুস যথেষ্ট অক্সিজেন পায় না, তাই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
(97) বর্ষাকালে ভিজে কাপড় শুকাতে দেরি হয় কেন?উত্তর: বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় বাতাস আর বেশি জলীয় বাষ্প সহজে গ্রহণ করতে পারে না।ফলে কাপড়ের জল দ্রুত বাষ্পীভূত হয় না, তাই শুকাতে দেরি হয়।
(98) নিচের যৌগগুলি কি কি মৌলের পরমাণু দিয়ে তৈরি তা লেখ। জল, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, চিনি, নুন, পাথরে চুন।যৌগের নামউপস্থিত মৌলের পরমাণুজলহাইড্রোজেন ও অক্সিজেনকার্বন ডাই অক্সাইডকার্বন ও অক্সিজেনচিনিকার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেননুনসোডিয়াম ও ক্লোরিনপাথরে চুনক্যালসিয়াম ও অক্সিজেন
(99) অণু কাকে বলে? উত্তর: পরমাণুদের জোটবদ্ধ অবস্থাকে অণু বা molecule বলে।
(100) চারটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের নাম লেখ । অথবা, পরমাণু এককভাবে থাকতে পারে এমন চারটি মৌলের নাম লেখ। উত্তর: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ও ক্রিপ্টন।
(101) যার দ্বারা মৌলকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয় তাকে ______ বলে।উত্তর: চিহ্ন।
(102) ক্যালসিয়ামের চিহ্ন লেখ।উত্তর: Ca
(103) অক্সিজেনের চিহ্ন কি? উত্তর: O
(104) নিচের মৌলগুলির সংকেত লেখো। মৌলের নামপারমাণবিকতাসংকেতঅক্সিজেন2O₂নাইট্রোজেন2N₂ক্লোরিন2Cl₂ব্রোমিন2Br₂আয়োডিন2I₂ফ্লুওরিন2F₂
(105) নিচের যৌগ গুলির সংকেত লেখ। সালফার ট্রাই অক্সাইড: $SO_{3}$ যৌগের নামযৌগের সংকেতকার্বন ডাইঅক্সাইডCO₂কার্বন মনোক্সাইডCOমিথেনCH₄অ্যামোনিয়াNH₃হাইড্রোজেন সালফাইডH₂Sসালফার ডাই অক্সাইডSO₂হাইড্রোজেন ক্লোরাইডHClফসফরাস ট্রাইক্লোরাইডPCl₃কার্বন টেট্রাক্লোরাইডCCl₄ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইডPCl₅সালফার ট্রাই অক্সাইড SO₃
(106) মিশ্র পদার্থ কাকে বলে?
উত্তর: দুই বা তার বেশি পদার্থ যেকোনো অনুপাতে মিশিয়ে যে পদার্থ তৈরি করা হয়। তাকে মিশ্র পদার্থ বলে।
(107) পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া কাকে বলে? উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় ফিল্টার কাগজ বা ছাকনির সাহায্যে তরল ও কঠিন কে আলাদা করা হয়, তাকে পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া বা filtration বলে।
(108) পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় ফিল্টার করার পর নিচে যে পরিস্কার তরল পাওয়া যায় তাকে ___ বলে।উত্তর: পরিস্রুত বা filtrate ।
(109) পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় ফিল্টার কাগজের ওপর পড়ে থাকা কঠিন পদার্থকে কি বলে?
উত্তর: অবশেষ বা residue ।
(110) তোমাকে কাদা-জল ও নুন-জল দেওয়া হল। এই দুই প্রকার মিশ্রণ তুমি কোন পদ্ধতিতে পৃথক করবে।
উত্তর: কাদা জল: পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া। নুন জল: কেলাসন প্রক্রিয়া।
(111) নুন জল থেকে নুনকে পৃথক করতে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: কেলাসন।
🤔 মনে রাখবে চিনি ও জলের মিশ্রণ থেকেও কেলাসন পদ্ধতিতে চিনি কে আলাদা করা হয়।
(112) কেলাসন পদ্ধতি কাকে বলে?
উত্তর: দ্রবন থেকে কঠিন পদার্থের কেলাস তৈরির পদ্ধতিকে কেলাসন বা ক্রিস্টালাইজেশন পদ্ধতি বলে।
🤔 মনে রাখবে নুন জল থেকে নুনকে পৃথক করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
(113) বালি ও লোহার গুড়োকে কিভাবে পৃথক করবে?
উত্তর: বালি ও লোহার গুড়োর কাছে চুম্বক আনলে লোহার গুঁড়ো চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হবে। এবং লোহার গুঁড়ো গুলো চুম্বকের গায়ে লেগে যাবে এবং বালি পড়ে থাকবে।🤔 মনে রাখবে : নুন ও লোহার গুঁড়ো ও এই ভাবেই আলাদা করা হয়।