কোনো অধ্যায়ের মকটেস্ট, প্রশ্ন-উত্তর কিংবা মতামত এর জন্য → Contact us !

দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি 2021 পার্ট 6 | ক্লাস টেন ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি 2021 পার্ট 6 | class 10 geography model activity task 2021 part 6

দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি পার্ট 6 | ক্লাস টেন ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি 2021 পার্ট 6 | class 10 geography model activity task 2021 part 6

দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি ২০২১ পার্ট 6 |  ক্লাস টেন ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি 2021 পার্ট 6 | class 10 geography model activity task 2021 part 6

দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি ২০২১ পার্ট 6 class 10 geography model activity task 2021 part 6


দশম শ্রেণী ভূগোল মডেল অ্যাক্টিভিটি ২০২১ পার্ট 6

class 10 geography model activity task 2021 part 6

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) আরোহন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল –

ক) গিরিখাত

(খ) রসে মতানে

(গ) বালিয়াড়ি

(ঘ) গৌর

উত্তর – গ ) বালিয়াড়ি । 


১.২ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –

(ক) উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বত - নীলগিরি

(খ) দক্ষিণ ভারতের পূর্ববাহিনী নদী— নর্মদা

(গ) আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি

(ঘ) উত্তর-পূর্ব ভারত— কৃষ্ণ মৃত্তিকা

উত্তর – গ ) আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি । 


১.৩ ) ভারতের রূঢ় বলা হয় – 

(ক) জামসেদপুরকে

(খ) দুর্গাপুরকে।

(গ) ভিলাইকে

(ঘ) বােকারােকে

উত্তর – খ ) দুর্গাপুরকে । 

২ ) বাক্যটি সত্য হলে ‘ ঠিক ‘ এবং অসত্য হলে ‘ ভুল ‘ লেখ । 

২.১ ) নদী খাতে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলি হল মন্থকূপ । 

উত্তর – ঠিক । 

২.২ ) ভারতের উপকূল অঞ্চলে দিনের বেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয় । 

উত্তর – ভুল । 

(কারণ- রাতের বেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয়।)

২.৩ ) শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া চা চাষের পক্ষে আদর্শ । 

উত্তর – ভুল । 

(কারণ - শীতল ও আর্দ্র বায়ু চা চাষে আদর্শ )

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) ‘ অক্ষাংশভেদে হিমরেখার উচ্চতা ভিন্ন হয় ।’ – ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো । 

উত্তর – আমরা জানি অক্ষাংশের মান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা কমতে থাকে এবং হিমরেখার উচ্চতাও কমে ।

কোন স্থানে হিমরেখার উচ্চতা নির্ভর করে অক্ষাংশ , অবস্থান, ভূমির উচ্চতা, ঋতু পরিবর্তন প্রভৃতির উপর । তাছাড়া অক্ষাংশ যত বাড়তে থাকে   নিরক্ষরেখা থেকে ক্রমশ উত্তরে ও দক্ষিনে উষ্ণতা কমতে থাকে তাই হিমরেখার অবস্থান উচ্চতাও কমতে থাকে। 

আবার অক্ষাংশের মান কমতে থাকলে উষ্ণতা বাড়তে থাকে এবং হিমরেখার উচ্চতা বাড়তে থাকে।

 শীতকালে উষ্ণতা কমে যায় বলে হিমরেখা পর্বতের নিম্নাংশে এবং গ্রীষ্মকালে উষ্ণতা বেড়ে যায় বলে পর্বতের উর্ধাংশে অবস্থান করে । 

তাই বলা যায় অক্ষাংশভেদে হিমরেখার উচ্চতা ভিন্ন হয় ।

৩.২ ) হিমালয় পর্বতমালা কিভাবে ভারতীয় জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে ? 

উত্তর –  সুউচ্চ হিমালয় পর্বমালা  ভারতের উত্তর দিকে  প্রাচীরের মতো দণ্ডায়মান হয়ে আমাদের দেশের জলবায়ুকে নানাভাবে প্রভাবিত করে ।  

 তীব্র শৈত্যপ্রবাহ থেকে রক্ষা করে – হিমালয় পর্বত সাইবেরিয়া থেকে আগত অতি শীতল মেরু বায়ুর প্রবাহকে ভারতে প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করে । এই কারণে দক্ষিণ এশিয়া একই অক্ষাংশে অবস্থিত অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় শীতকালে বেশি উষ্ণ হয় । 

বৃষ্টিপাতে সাহায্য –  সমুদ্র থেকে আগত জলীয় বাষ্প পূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুকে হিমালয় বাধা দেয় । এর ফলে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর ওপরে ওঠে । এরপর ওই বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ভারতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ঘটায় । যা ভারত কে শস্য শ্যামলা করে তুলেছে।

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ব্যাপকতা হ্রাস – হিমালয় পর্বত এর জন্য শীতকালীন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কেবলমাত্র উত্তর-পশ্চিম ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকে ।

৪ ) প্রশ্ন – ভারতীয় জনজীবনে নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাব গুলি উল্লেখ করো । 

উত্তর – ভারতীয় জনজীবনে নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাবগুলি হলো – 

১) দূষণ সমস্যা – বিপুল পরিমাণে জনসংখ্যা, যানবাহন ,শিল্প কারখানা প্রভৃতি বৃদ্ধির ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ ,জলদুষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২) অত্যধিক ঘন জনবসতি – বিভিন্ন কারণে মানুষের শহর মুখী প্রবণতার জন্য ভারতীয় বড় বড় নগর গুলিতে জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে ও সকল মানুষের জন্য বাসস্থানের অভাব পরিলক্ষিত হয় । তাছাড়া মানুষ জীবিকার খোঁজে শহরে চলে এলে এখানে বাসস্থানের অভাব সৃষ্টি হয় । ফলস্বরূপ রেললাইনের পাশে, রাস্তার ধারে, খালপাড়ে, বস্তিতে মানুষ আশ্রয় নেয় । 

৩) জলনিকাশি ও পয়ঃপ্রনালী ব্যাবস্থা – অপরিকল্পিত নগায়নের ফলে উপযুক্ত নর্দমার অভাবে শহরের জালনিকাশি ব্যাবস্থা ভেঙে পড়ে।

৪) পরিবহন সমস্যা – ভারতীয় শহরগুলিতে পরিবহনগত সমস্যা গুলির মধ্যে অন্যতম হলো যানজট সম্পর্কিত সমস্যা যা ভারতে প্রায় প্রতিটি শহরে নিত্যদিনের একটি ঘটনায় পরিণত হয়েছে । বড় বড় নগর গুলির বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যার ভিড় সামলানোর জন্য যে পরিমাণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার বিকাশ প্রয়োজন তা না থাকায় এই ভারতীয় শহর বা নগর গুলিকে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় । 

৫) কঠিন বর্জ্য পদার্থ জনিত সমস্যা – শহর অঞ্চলের কঠিন বর্জ্য পদার্থ জনিত সমস্যা একটি বড় সমস্যা । কঠিন পদার্থ গুলির মধ্যে অন্যতম হলো কাগজ, পলিথিন ব্যাগ, কাঁচ ও প্লাস্টিকের বোতল, গৃহস্থালির বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, শিল্প কারখানার বর্জ্য ইত্যাদি । প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ বজ্র পদার্থ শহর অঞ্চলের সৃষ্টি হয়ে থাকে । যার  প্রয়োজনীয় জায়গার অভাব আছে।

৬) রোগের প্রাদুর্ভাব– অত্যাধিক জনসংখ্যার চাপ ও দূষনের ফলে শহরে বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগের প্রাদূর্ভাব দেখা যায়।

Web & App Developer, Blogger , Youtuber , VRP @Social Audit Unit-WB Govt

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please Comment , Your Comment is Very Important to Us.