Header Ads Widget

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২১ | দ্বিতীয় অধ্যায়- জীবনের প্রবাহমানতা | Madhyamik Life science suggestion New PDF


মাধ্যামিক ২০২১ জীবন বিজ্ঞান সাজেশন এর আজকের পর্বে আমরা রেখেছি একগুচ্ছ প্রশ্ন ও উত্তর । Madhyamik 2021 Life science এর সাজেশন এর আজকে দ্বিতীয় পর্ব । আগের অধ্যায় এর মাধ্যামিক সাজেশন এর জন্য এখানে ক্লিক কর ।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২১


মাধ্যামিক সাজেশন ২০২১ জীবন বিজ্ঞান

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : সঠিক উত্তর নির্বাচন

1. বংশগতির ধারক ও বাহক হল- মেসোজোম / পলিজোম / ক্রোমোজোম / রাইবোজোম।
উত্তর:- ক্রোমোজোম।

2. মানুষের দেহকোষে অটোজোম এর সংখ্যা- 44 টি / 46 টি 23টি / 22 টি।
উত্তর:- 44 টি।

3. ক্রোমোজোমের অধিক ঘনত্ব যুক্ত পুতির মতো অংশটি কে বলে- ক্রোমোনিমা / ক্রোমোমিয়ার / ক্রোমাটিড / সেন্ট্রোমিয়ার।
উত্তর:- ক্রোমোমিয়ার।

4. যে ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার থাকে না তাকে বলা হয়- মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম / সাবমেটাসেন্ট্রিক / ক্রোমোজোম ক্রোমোজোম / টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম।
উত্তর:- অ্যাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম।

5. NOR ক্রোমোজোমের যে অংশে বিন্যস্ত থাকে তা হল- প্রাথমিক খাঁজ / গৌণ খাঁজ / নিউক্লিওলাস / নিউক্লিওপ্লাজম।
উত্তর:- গৌণ খাঁজ।

6. DNA-এর দ্বিতন্ত্রী নকশার প্রণয়ন করেন- ল্যামার্ক / হ্যালডেন / ওয়াটসন ও ক্রিক / ফ্লেমিং
ওয়াটসন ও ক্রিক

উত্তর:- ওয়াটসন ও ক্রিক।

7. তুমি কোষ বিভাজনের সময় কোন বেমতন্তু তৈরি হতে দেখলে না। এই ধরনের কোষ বিভাজন কে বলা হয়- অ্যামাইটোসিস / প্রথম মিয়োটিক বিভাজন / দ্বিতীয় মিয়োটিক বিভাজন / মাইটোসিস
উত্তর:- অ্যামাইটোসিস।

8. নিচের কোনটি মিয়োসিস এর বৈশিষ্ট্য নয়?
জনন মাতৃকোষে ঘটে / ক্রোমোজোমের হ্রাস বিভাজন ঘটে / উৎপন্ন কোষের সংখ্যা 2 / উৎপন্ন কোষের সংখ্যা 4

উত্তর:- উৎপন্ন কোষের সংখ্যা 2

9. অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন দেখা যায় যে জীবে - রেড উড বৃক্ষ / অ্যামিবা / স্পঞ্জ / মানুষ।
উত্তর:- অ্যামিবা।

10. কোশপাত গঠিত হয় - ক্যারিওকাইনেসিসের সময় / ইন্টারফেজে / সাইটোকাইনোসিসের সময় / বেম গঠনের সময়।
উত্তর:- সাইটোকাইনোসিসের সময়

11. ক্রোমোজোমের অংশ বিনিময়কে বলে- সাইন্যাপসিস / বাইভ্যালেন্ট / ক্রসিং ওভার / কায়াজমা
উত্তর:- ক্রসিং ওভার।

12. ক্রসিং ওভার ঘটে - সিস্টার ক্রোমাটিডে / নন সিস্টার ক্রোমাটিডে / উভয় ক্রোমাটিডে / কোনোটিই নয়
উত্তর :- নন সিস্টার ক্রোমাটিডে।

13. মাইটোসিসের যে দশায় সেন্ট্রোমিয়ার বিভাজন ঘটে তা হল প্রোফেজ / মেটাফেজ / অ্যানাফেজ / টেলোফেজ।
উত্তর:-

14. নিষিক্ত ডিম্বানু হল - এমব্রায়ো / জাইগোট / স্পোর / মরুলা ।
উত্তর:- জাইগোট।

15. পুনরুৎপাদন পদ্ধতিতে জনন সম্পন্ন করে ইউগ্লিনা / স্পাইরোগাইরা / প্ল্যানেরিয়া / অ্যামিবা।
উত্তর : প্ল্যানেরিয়া

16. নিষেক ছাড়া স্ত্রী জনন কোষ থেকে কোন দ্বীপটির অপত্য সৃষ্টি হয়? মৌমাছি / ব্যাং / আমগাছ / পায়রা।
উত্তর:- মৌমাছি।

17. নিচের কোনটি সঠিক পর্যায়ক্রম?
(A) ক্যালাস → এক্সপ্ল্যান্ট → প্ল্যান্টলেট → এমব্রিয়য়েড
(B) প্ল্যান্টলেট → এক্সপ্ল্যান্ট → ক্যালাস → এমব্রিয়য়েড
(C) এমব্রিয়য়েড → এক্সপ্ল্যান্ট → ক্যালাস → প্ল্যান্টলেট
(D) এক্সপ্ল্যান্ট → ক্যালাস →এমব্রিয়য়েড → প্ল্যান্টলেট
উত্তর: এক্সপ্ল্যান্ট → ক্যালাস →এমব্রিয়য়েড → প্ল্যান্টলেট

18. জোড় কলম একবীজপত্রী উদ্ভিদের হয় না কারণ - নালিকা বান্ডিল থাকে না / ক্যাম্বিয়াম থাকে না / কান্ড খুব নরম / মজ্জা থাকেনা।
19. নিম্নলিখিত কোনটি ইতর পরাগযোগের বৈশিষ্ট্য নয়?
(A) এটি কেবল মাত্র একলিঙ্গ ফুলেই ঘটে।
(B) এখানে বাহক এর প্রয়োজনীয়তা একেবারেই নেই।
(C) কোন কোন ক্ষেত্রে পুরুষ ফুল আগে আবার কখনো স্ত্রী ফুল আগে পরিণত হয়।
(D) অপত্য উদ্ভিদের প্রকরণ সৃষ্টি হয়।

উত্তর: এখানে বাহকের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই নেই।

20. মানুষের বয়সন্ধিকাল হলো - 10 থেকে 19 বছর / 8 থেকে 19 বছর / 15 থেকে 25 বছর / 25 থেকে 35 বছর।
উত্তর:- 10 থেকে 19 বছর।

21. নিচের কোনটি বৃদ্ধির দশা নয় - কোষের বিভাজন / কোষের আকার বৃদ্ধি / কোষীয় সংশ্লেষ / কোষের বিভেদন।
উত্তর:- কোষীয় সংশ্লেষ ।

22. নিচের কোন ক্রমটি সঠিক ?
(A) শৈশব → সদ্যোজাত → বয়সন্ধি → পরিণত → বার্ধক্য
(C) বয়সন্ধি → পরিণত → বার্ধক্য → শৈশব → সদ্যজাত
(D) সদ্যোজাত → শৈশব → পরিণত → বয়সন্ধি → বার্ধক্য
(E) সদ্যোজাত → শৈশব → বয়সন্ধি → পরিণত → বার্ধক্য

উত্তর : সদ্যোজাত → শৈশব → বয়সন্ধি → পরিণত → বার্ধক্য

23. জল পরাগী পুষ্প হলো - ভুট্টা / পাতা ঝাঁঝি / আম / শিমুল
উত্তর:- পাতা ঝাঁঝি

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

1. মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজোম এর সংখ্যা কত?
উত্তর: 46 টি।

2. মানুষের শুক্রাণুতে অবস্থিত অটোজোম এর সংখ্যা কত?
উত্তর: 22 টি।

3. একটি ট্রিপ্লয়েড কোষের উদাহরণ দাও
উত্তর: একটি ট্রিপ্লয়েড কোষের উদাহরণ হল গুপ্তবীজী উদ্ভিদের শস্য নিউক্লিয়াস।

4. ক্রোমোজোমের কোন অংশটি দক্ষ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তর: টেলোমিয়ার।

5. ক্রোমোজোম এ কি কি প্রোটিন থাকে?
উত্তর: ক্রোমোজোমে প্রধানত দুই ধরনের প্রোটিন থাকে হিস্টোন প্রোটিন এবং নন হিস্টোন প্রোটিন।

6. ইউক্রোমাটিন এর কাজ কি?
উত্তর: ইউক্রোমাটিন অংশে বেশি পরিমাণ DNA থাকায় এটি জিন ধারণ করে।

7. হেটারোক্রোমাটিন এর কাজ কি?
উত্তর: হেটারোক্রোমাটিনে কম পরিমাণ ডিএনএ থাকায় এটি জিনর সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় ছেদ অংশ হিসেবে কাজ করে।

8. ক্রোমোজোমের গঠনগত একক কি?
উত্তর: নিউক্লিওজোম।

9. দুটি ক্রোমোজোম জুড়ে যাওয়া রোধ করে ক্রোমোজোমের কোন অংশ?
উত্তর: টেলোমিয়ার।

10. প্রাণী কোষ বিভাজনের সেন্ট্রোজোম এর ভূমিকা কি ?
উত্তর: সেন্ট্রোজোম প্রাণী কোষ বিভাজনে বেমতন্তু গঠনে সাহায্য করে।

11. স্নায়ু কোষ বিভাজিত হয় না কেন?
উত্তর: স্নায়ু কোষের সেন্ট্রোজোম নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে বলে স্নায়ু কোষ বিভাজিত হয় না।

12. কোষ বিভাজন প্রতিরোধী দুটি বস্তুর নাম লেখ।
উত্তর: সায়ানাইড ও অ্যাজাইড।

13. প্রকার কোষ বিভাজন এর দ্বারা ক্ষয়পূরণ হয়?
উত্তর: মাইটোসিস।

14. কোষচক্রের নিষ্ক্রিয় দশা কোনটি?
উত্তর: G ⁰ দশা।

15. কোষচক্র নিয়ন্ত্রনকারী একটি উৎসেচকের নাম লেখ।
উত্তর: সাইক্লিন ডিপেন্ডেন্ট কাইনেজ।

16. কোন দশায় ক্রোমোজোম গুলি গেম এর দুটি বিপরীত মেরুর দিকে গমন করে?
উত্তর: অ্যানাফেজ দশায়।

17. প্রাণী কোষে কোন পদ্ধতিতে সাইটোকাইনেসিস ঘটে?
উত্তর: ফায়োরিং বা ক্লিভেজ পদ্ধতিতে।

18. যৌন জননের একক কি?
উত্তর: যৌন জননের একক গ্যামেট।

19. অযৌন জননের একক কি?
উত্তর: অযৌন জননের একক রেনু।

20. ফার্নের জনুক্রম এ কোন দশা টি ক্ষণস্থায়ী?
উত্তর: হ্যাপ্লয়েড (n) লিঙ্গধর দশা।

21. পরাগযোগের অজৈব বাহক এর নাম লেখ।
উত্তর:- বায়ু এবং জল।

22. বৃদ্ধির প্রারম্ভিক স্থান কোথায়?
উত্তর: ভ্রুন।

23. মানব বিকাশের কয়টি দশা?
উত্তর: পাঁচটি দশা।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : শূন্যস্থান পূরণ কর

1. মানুষের প্রতিটি দেহকোষে সেক্স ক্রোমোজোম থাকে _____ টি।
উত্তর: 2 টি

2. স্যাটেলাইট যুক্ত ক্রোমোজোম কে _____ বলে ।
উত্তর: স্যাট ক্রোমোজোম।

3. RNA তে থাইমিন এর পরিবর্তে ____ থাকে।
উত্তর: ইউরাসিল।

4. নাইট্রোজেন যুক্ত ক্ষার + ফসফেট + পেন্টোজ শর্করা = ____।
উত্তর:- নিউক্লিওটাইড।

5. নিউক্লিওসাইড ও ফসফরিক অ্যাসিড একত্রে ____ গঠন করে।
উত্তর:- নিউক্লিওটাইড।

6. প্রাণী কোষ : সেন্ট্রোজোম :: উদ্ভিদ কোষ গঠন : ____ ।
উত্তর:- মাইক্রোটিউবিউল।

7. মাইটোসিস : সমবিভাজন :: মিয়োসিস : ____।
উত্তর:- হ্রাস বিভাজন।

8. মাইটোসিস : ভ্রুণমূল :: রেনু মাতৃকোষ : ______ ।
উত্তর: মিয়োসিস।

9. ক্রসিং ওভার স্থানে নন সিস্টার ক্রোমাটিড দুটির মধ্যে যে এক্স আকৃতির গঠন দেখা যায় তা হল ____ ।
উত্তর:- কায়াজমা।

10. প্রোফেজ : নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি :: ____ : নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাসের পুনরাবির্ভাব।
উত্তর:- টেলোফেজ।

11. কলা কর্ষণ এর মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবিস্তার পদ্ধতিকে _____ বলে ।
উত্তর: মাইক্রোপ্রোপাগেশন।

12. পোরোগ্যামি : ডিম্বকরন্ধ্র :: মেসোগ্যামি : _______ ।
উত্তর:- ডিম্বক ত্বক।

13. থেকে কুড়ি বছর বয়স পর্যন্ত দশা কে ____ বলে।
উত্তর: বয়সন্ধিকাল।

14. মানব জীবনের শেষ দশা হল _____ ।
উত্তর: বার্ধক্য দশা

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : কোনটি আলাদা

1. সেন্ট্রোমিয়ার , সেন্ট্রোজোম , টেলোমিয়ার , স্যাটেলাইট।
উত্তর: সেন্ট্রোজোম।

2. ইন্টারফেজ , মেটাফেজ ,অ্যানাফেজ , প্রফেজ
উত্তর:- ইন্টারফেজ।

3. মেটাফেজ দশার বেমতন্তু বিলুপ্ত হয়।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

4. খর্বধাবক , পত্রজ মুকুল , রসালো মূল , খন্ডীভবন।
উত্তর:- খন্ডীভবন।

5. চল রেনু , অচল রেণু , গ্যামেট , ভ্রুন
উত্তর:- ভ্রুণ।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : সত্য-মিথ্যা নির্বাচন করো।

1. ডিএনএ হল একটি ক্ষুদ্র জৈব অণু।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

2. মানুষের দেহকোষে অটোজোম এর সংখ্যা 44
উত্তর: উক্তিটি সত্য

3. মানুষের ডিম্বাণু হ্যাপ্লয়েড প্রকৃতির।
উত্তর: উক্তিটি সত্য

4. হেটারোক্রোমাটিন অঞ্চলে ক্রসিং ওভার ঘটে।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

5. DNA তে ইউরাসিল নামক ক্ষার টি থাকে।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

6. বেম তন্তু গঠনে অংশ নেয় মাইটোকনড্রিয়া ও প্লাস্টিড ।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

7.কোষচক্রের সবথেকে দীর্ঘতম দশা টি হল ইন্টারফেজ।
উত্তর: উক্তিটি সত্য।

8. মানুষের ক্ষেত্রে কোষ চক্রের সময়কাল প্রায় 24 ঘন্টা।
উত্তর: উক্তিটি সত্য।

9.অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে অনেক সময় ক্যান্সার রোগ হয়।
উত্তর: উক্তিটি সত্য।

10. মাইটোটিক বিভাজন একটি সমবিভাজন।
উত্তর: উক্তিটি সত্য।

11. দুটি গ্যামেটের মিলনকে কী বলা হয়?
উত্তর: দুটি গ্যামেটের মিলনকে নিষেক বলা হয়।

12. জাইগোট হ্যাপ্লয়েড প্রকৃতির হয়।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

13. স্টক নিওনের থেকে উন্নত ।
উত্তর: উক্তিটি মিথ্যা।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর 1/2 MARK

1. তোমার দেহত্বকে ক্রোমোজোম 2n=46 হলে তোমার স্নায়ুকোষ ও জনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা কত হবে?
উত্তর - স্নায়ু কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা হবে 2n=46 হবে। জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা n=23 ।

2. DNA এর উপাদান গুলি কি কি?
উত্তর - DNA এর উপাদান গুলি হল
নাইট্রোজেন যুক্ত ক্ষারক - অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, থাইমিন, ও সাইটোসিন।
ফসফেট ।
ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা।

3. কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণকারী পাঁচটি কোষীয় অঙ্গাণুর নাম লেখ।
উত্তর - কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণকারী পাঁচটি কোষীয় অঙ্গানু হলো - নিউক্লিয়াস, সেন্ট্রোজোম, গলগী বডি, রাইবোজোম ও মাইটোকনড্রিয়া।

4. টরুলা দশা কি?
উত্তর: ইস্ট এর কোরকোদগম নামক অযৌন জনন পদ্ধতিতে নতুন উৎপন্ন করতে মাত্র দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বেই পুনরায় তৈরি করা শুরু করে এবং সদ্য মাইসেলিয়াম গঠন করে। এই অবস্থাটিকে টরুলা দশা বলা হয়।

5. মাইক্রোপ্রোপাগেশন এর দুটি অসুবিধা লেখ।
উত্তর: কর্ষণ মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বা কৃত্রিম সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কল আকর্ষনের সময়ের আলো তাপমাত্রা আর্দ্রতা সঠিক থাকা জরুরি।

6. মানব বিকাশের বিভিন্ন দশা গুলি সঠিক ক্রমে লেখ।
উত্তর: সদ্যোজাত দশা → শৈশব দশা → বয়সন্ধি দশা → পরিণত দশা → বার্ধক্য বা অন্তিম পরিণতি দশা।

7. কোষীয় বিভেদন দশা কাকে বলে?
উত্তর: জীব বৃদ্ধির তৃতীয় তথা সর্বশেষ যে দশায় পূর্ণ আয়তন কোষগুলির নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বিশেষ বিশেষ কলা কোষে পরিবর্তিত হয় তাকে কোষীয় বিভেদন দশা বলে যেমন মানব দেহের স্নায়ু কোষ ও পেশী কোষ বিভাজন।

8. অপুংজনি কাকে বলে?
উত্তর: যে বিশেষ জনন পদ্ধতিতে নিষেধ ছাড়াই অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে অপত্য জীব তৈরি হয় তাকে অপুংজনি বা পার্থোনোজেনেসিস বলে। যেমন বোলতা মৌমাছি প্রভৃতি প্রাণী এর ক্ষেত্রে অপুংজনি দেখা যায়।

9. একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্রোমোজোম সংখ্যা 2n=18 হলে, নালিকা নিউক্লিয়াস ও গর্ভদণ্ডের কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা কত?
উত্তর: সপুষ্পক উদ্ভিদের দেহ নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম সংখ্যা 2n= 18 টি হলে , নালিকা নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোম সংখ্যা হবে n=9 টি এবং গর্ভদণ্ডের কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা 2n=18 টি।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর 2/3 MARK

1. ক্রোমোজোম ও DNA-এর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক কী?
উত্তর - অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে কোশকে পর্যবেক্ষণ করলে। নিউক্লিয়াসের ভিতর সুক্ষ্ম জালকাকার গঠন দেখা যায়। লক্ষ করলে বোঝা যায় যে, এগুলি প্যাচানো সিঁড়ির মতো দ্বিতন্ত্রীগঠন—এগুলিই হল DNA T এরা বৃহৎ অণু, তাই নিউক্লিয়াসে কুণ্ডলীকৃত অবস্থায় থাকে। বিভাজনের সময়ে DNA আরও কুণ্ডলীকৃত হয় ও বিভিন্ন প্রোটিনকে দৃঢ়ভাবে পেঁচিয়ে লুপ তৈরি করে। কুণ্ডলীকৃত এই গঠনকে ক্রোমোজোম বলা হয়। অর্থাৎ, প্রোটিন সমন্বিত কুণ্ডলীকৃত DNA-এই হল ক্রোমোজোম।

2. পার্থক্য লেখ - সেন্ট্রোমিয়ার ও সেন্ট্রোজোম।

উত্তর :
সেন্ট্রোমিয়ারসেন্ট্রোজোম
1. সেন্ট্রোমিয়ার এর অবস্থান ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিন দ্বয় এর সংযোগস্থল বা মুখ্য খাঁজে।1. সেন্ট্রোজোম অবস্থান করে কোষের সাইটোপ্লাজমে নিউক্লিয়াস এর কাছাকাছি।
2. উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় প্রকার কোষ এই সেন্ট্রোমিয়ার থাকে।2. কেবলমাত্র প্রাণী কোষেই সেন্ট্রোজোম থাকে।
3. ক্রোমোজোমের মুখ্য খাঁজে অবস্থিত চাকরির মত অংশ হলো সেন্ট্রোমিয়ার।3. সেন্ট্রোজোম হল কোষীয় অঙ্গানু যা দেখতে এর মতো সেন্ট্রিওল নিয়ে গঠিত।
4. চারটি সেন্ট্রোমেরিক ক্রোমোমিয়ার নিয়ে সেন্ট্রোমিয়ার গঠিত।4. নয়টি ত্রয়ী অনুনালিকা দ্বারা সেন্ট্রোজোম গঠিত।
5. সেন্ট্রোমিয়ার এর কাজ হল ক্রোমাটিডদ্বয়কে আবদ্ধ রাখা ও কোষ বিভাজনকালে ক্রোমোজোমকে বেমতন্তুর সঙ্গে যুক্ত রাখা।5. সেন্ট্রোজোম এর কাজ হল প্রাণী কোষ বিভাজনের সময় মাকু গঠন করা।

3. সেন্ট্রোমিয়ার কি? এর কাজ লেখ।

উত্তর : সেন্ট্রোমিয়ার: ক্রোমোজোমের প্রাথমিক কাজ অংশে অবস্থিত চারটি সেন্ট্রোমেরিক কাইনেটোকোর নিয়ে গঠিত যে অংশে বেমতন্তু যুক্ত হয়, তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে।
কাজ: সেন্ট্রোমিয়ারে বেম যুক্ত হয় বলে অ্যানাফেজ চলন সম্ভব হয়।
এটি ক্রোমোজোমের দুটি বাহুকে যুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

4. কাইনেটোকর কাকে বলে ? এর কাজ কি?
উত্তর : সেন্ট্রোমিয়ার এ অবস্থিত চাকতির মত যে চারটি গঠন কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল তন্তুতে যুক্ত হয় তাদের কাইনেটোকোর বলে।
কোষ বিভাজনের সময় কাইনেটোকোর ক্রোমোজোমের সঠিক বিভাজনে সাহায্য করে।

5. টেলোমিয়ার কি? এর কাজ লেখ।
উত্তর : ক্রোমোজোমের দুটি প্রান্তীয় অংশকে টেলোমিয়ার বলে।
কাজ : টেলোমিয়ার দুটি ক্রোমোজোমের প্রান্তকে জুড়ে যেতে বাধা দেয়।
টেলোমিয়ার কোষের বার্ধক্য ও মৃত্যুর নিয়ন্ত্রণ করে।

6. NOR এর কাজ লেখ।
উত্তর : NOR গৌণ খাঁজের অন্তর্গত ক্রোমোজোমীয় অংশ রাইবোজোম আরএনএ তৈরীর জিন বহন করে।
এই অংশ থেকে টেলোফেজ দশায় নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।

7. অটোজোম এবং সেক্স ক্রোমোজোম এর পার্থক্য লেখ।
উত্তর :

অটোজোমসেক্স ক্রোমোজোম
1. জীবের দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।1. মূলত লিঙ্গ নির্ধারণ ও জননগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
2. এর সংখ্যা অধিক , মানবদেহে 22 জোড়া।2. এর সংখ্যা কম , মানবদেহে 1 জোড়া।
3. এগুলি হোমোলোগাস জোড়া রূপে দেহকোষে বিন্যস্ত থাকে।3. এগুলি হোমোলোগাস অথবা নন হোমোলোগাস জোড়া রূপে দেহকোষে বিন্যস্ত থাকে।

8. কোষ বিভাজনের তাৎপর্য লেখ।
উত্তর :
বৃদ্ধি : কোষ বিভাজনের ফলে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে।স্বাভাবিক বৃদ্ধি কোষ বিভাজন এর উপরেই নির্ভর করে।
প্রজনন : মাইটোসিস অ্যামাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন বিভিন্ন প্রকার জননে সাহায্য করে।
ক্ষয়পূরণ : জীবের ক্ষতস্থান নিরাময় অঙ্গের পুনরায় উৎপত্তি মূলত মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ফলে ঘটে।
বংশগত বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারণ : গঠিত হয় যা অভিযোজন অভিব্যক্তির সহায়তা করে।

9. মাইক্রোটিউবিউল এর কাজ কি?
উত্তর: মাইক্রোটিউবিউল কোষীয় সাইটোস্কেলিটন এর অংশবিশেষ যা উদ্ভিদ কোষের বেম গঠন করে। মাইক্রোটিউবিউল নির্মিতব্য ক্রোমোজোমকে দুই মেরুতে নিয়ে যায়। ফলে কোষ বিভাজনে উৎপন্ন অপত্য কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ও DNA এর পরিমাণ মাতৃকোষের সমান থাকে।

10. মিয়োসিস কোষ বিভাজনকে হ্রাস বিভাজন বলা হয় কেন?
উত্তর: মিয়োসিসে উৎপন্ন অপত্য কোষ গুলি মাতৃকোষের তুলনায় অর্ধেক ক্রোমোজোম বিশিষ্ঠ হয় বলে মিয়োসিসকে হ্রাস বিভাজন বলে।

11. কোষ বিভাজনের পূর্বে ইন্টারফেজ কেন প্রয়োজন?
উত্তর: ইন্টারফেস দশায় কোষ পরবর্তী বিভাজন এর জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। যে সব কারনের জন্যে ইন্টারফেজ দশা প্রয়োজন তাহলো - এই দশায় ডিএনএ প্রোটিন ও বিভিন্ন কোষীয় অঙ্গানু ডবল হয়, যাতে বিভাজনের পরে সমরূপ পাওয়া যায়।এই দশায় কোষ বিভাজন এর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সংশ্লেষিত ও সঞ্চিত হয়।

12. ক্রসিং ওভার কাকে বলে? এর গুরুত্ব লেখ।
উত্তর: মিয়োসিস - I এর প্রোফেজ - I দশায় যে পদ্ধতিতে সমসংস্থ ক্রোমোজোম এর নন সিস্টার ক্রোমাটিড এর মধ্যে সমতুল্য অংশের বিনিময় ঘটে ও ক্রোমোজোমে নতুন অ্যালিল সমন্বয়ের সৃষ্টি হয় তাকে ক্রসিং ওভার বলে।
ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব: ক্রসিং ওভার এর ফলে নতুন জিনগত ঘটেপুনর্বিন্যাস। ক্রসিং ওভার প্রমাণ করে যে ক্রোমোজোমে জিনগুলি সরলরৈখিক ভাবে অবস্থান করে।

13. সাইন্যাপস ও সাইন্যাপসিস এর পার্থক্য লেখ।

সাইন্যাপসসাইন্যাপসিস
1. সাইন্যাপস এর অবস্থান দুটি স্নায়ুর প্রবর্ধক এর মধ্যে।1. সাইন্যাপসিস দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোজোম এর মধ্যে মিয়োসিসের সময় সৃষ্টি হয়।
2. স্নায়ু দুটির মধ্যে সংস্পর্শ থাকে না2. সাইন্যাপসিসে ক্রোমোজোমে দুইটি সংস্পর্শে আসে।
3. সাইন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার খরিত হয়3. সাইন্যাপসিসে এ ক্ষরণগত উপাদান নেই।
4. স্নায়ু উদ্দীপনা প্রেরণে সাহায্য করে।4. ক্রসিং ওভার হতে সাহায্য করে।

14. অযৌন জননের সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।
উত্তর: অযৌন জননের সুবিধা:

  1. অযৌন জনন পদ্ধতিতে কেবলমাত্র একটি জীব অংশগ্রহণ করে ফলে সহজে জনন সম্ভব হয়।
  2. অযৌন জননের কম শক্তি ব্যয়িত হয়।
  3. অযৌন জননের অসুবিধা : অযৌন জননের প্রকরণের কোনো সম্ভাবনা থাকেনা।
  4. অযৌন জনন পদ্ধতিতে সৃষ্ট অপত্য জীবের মধ্যে অভিযোজন ক্ষমতা কম আসে।

15. মাইক্রোপ্রোপাগেশন কিভাবে সম্পন্ন করা হয়?
উত্তর: মাইক্রোপ্রোপাগেশন বা অনুবিস্তারণ পদ্ধতির ধারাবাহিক পর্যায় গুলি হল:-

  1. এই পদ্ধতিতে কম উপযুক্ত এক্সপ্লান্ট বা উদ্ভিদ দেহাংশ নির্বাচন করা হয় যা পুরোপুরি প্রজাতি নির্ভর।
  2. নির্বাচিত এক্সপ্লান্ট টিকে প্রথমে 70% অ্যালকোহলে এক মিনিট ধুয়ে পরে দশ শতাংশ হাইপোক্লোরাইড দ্রবণে 15 মিনিট রেখে করা হয়। স্টেরিলাইজ
  3. এই কর্ষণ মাধ্যমে শক্তির উৎস রূপে সুক্রোজ ব্যবহার করা
    হয়।এছাড়া বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক রূপে কৃত্রিম অক্সিন ও সাইটোকাইনিন ব্যবহার করা হয়।
  4. প্রথমে উদ্ভিদ দেহাংশ থেকে ক্যালাস সৃষ্টি হয়।পরে এটি বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন কলা সৃষ্টির মাধ্যমে অসংখ্য এমব্রয়েড গঠন করে। এমব্রোয়েড ক্রমে বিভাজিত হয়ে অপত্য উদ্ভিদের তৈরি হয়।

16. মাইক্রোপ্রোপাগেশন এর সুবিধা লেখ।
উত্তর: মাইক্রোপ্রোপাগেশন এর সুবিধা:-

  • এই পদ্ধতিতে কম জায়গায় দ্রুত ও অধিক সংখ্যক চারা তৈরি করা যায়।
  • মাইক্রোপ্রোপাগেশন এর দ্বারা রোগমুক্ত চারা গাছ তৈরি করা সম্ভব হয়।
  • পছন্দ মাফিক উদ্ভিদ ভ্যারাইটিজ উৎপাদন সম্ভব হয়।
  • বন্ধ্যা উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে চারা উৎপন্ন করা যায়।
  • এই পদ্ধতির সাহায্যে বছরের যেকোনো সময়ে চারা উৎপন্ন করা যায়।
  • এই পদ্ধতির সাহায্যে যৌন জননের অক্ষম উদ্ভিদ এর ক্ষেত্রে বংশবিস্তার সম্ভব।

17. স্বপরাগযোগ এর সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।

স্বপরাগযোগ এর সুবিধা :

  • স্বপরাগযোগ এর ক্ষেত্রে বাহক এর প্রয়োজনীয়তা না থাকায় স্বপরাগযোগ এর নিশ্চয়তা বেশি।
  • স্বপরাগযোগ এর পরাগরেণুর অপচয় কম হয়।
  • সফর একযোগে উৎপন্ন 2010 অপত্য উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হওয়ায় প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।

স্বপরাগযোগ এর সুবিধা ও অসুবিধা :

  • স্বপরাগযোগ এর নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য উদ্ভিদের পণ্য হতে পারে না অর্থাৎ প্রকরণ ঘটে না।
  • স্বপরাগযোগ এ উৎপন্ন বিচ নিম্নমানের হয় ও অঙ্কুরিত কম হয়।

18. ইতর পরাগযোগ এর সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।
উত্তর: ইতর পরাগযোগ এর সুবিধা :

  • ইতর পরাগযোগ এর ক্ষেত্রে উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য উদ্ভিদ সৃষ্টি হয় অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদকে অভিযোজিত হতে সাহায্য করে।
  • ইতর পরাগযোগ এ উৎপন্ন বীর উন্নত মানের হয় এবং অঙ্কুরোদগম এর হার বেশি।

ইতর পরাগযোগ এর অসুবিধা:-

  • ইতর পরাগযোগ বাহক নির্ভর হয় এক্ষেত্রে পরাগ যোগ এর নিশ্চয়তা কম।
  • পরাগরেণুর অপচয় এর মাত্রা অনেক বেশি হয়।

19. স্বপরাগযোগ এর থেকে ইতর পরাগযোগ বেশি সুবিধাজনক - ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: স্বপরাগযোগ এর থেকে ইতর পরাগযোগ বেশি সুবিধাজনক কারণ -
ইতর পরাগযোগ এর দুটি পৃথক উদ্ভিদের জিনগত উপাদানের সমন্বয়ে ঘটে বলে অধিক প্রকরণ সৃষ্টি হয়। হলে অপত্য উদ্ভিদের মত গুণসম্পন্ন হয়।এগুলির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হয়। স্বপরাগযোগে এই সুবিধা নেই। জিনগত প্রকরণ ঘটে বলে উদ্ভিদ প্রজাতির অভিব্যক্তিতেও সাহায্য করে।

20. মানুষের বৃদ্ধি ও বিকাশের পার্থক্য লেখ।

বৃদ্ধিবিকাশ
1. এক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজম এর নিয়ন্ত্রণাধীনে দেহের আকার আয়তন ও শুষ্ক ওজন বেড়ে যায়।1. এক্ষেত্রে আকার আয়তন ও শুষ্ক ওজন বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্য সম্পাদনের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পায়।
2. এক্ষেত্রে বৃদ্ধির পরিমাণগত।2. এক্ষেত্রে বৃদ্ধি পরিমাণগত ও গুণগত।
3. বৃদ্ধি হল কারণ3. বিকাশ হল বৃদ্ধির ফলাফল।
4. বৃদ্ধির ধারণা কেবল দৈহিক বা শরীরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।4. বিকাশের ধারনা দৈহিক মানসিক ও সামাজিক সবক্ষেত্রেই রয়েছে।
5. নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বৃদ্ধি ঘটে5. বিকাশ আমৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।

21. বৃদ্ধি ছাড়া বিকাশ সম্ভব নয় - ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বৃদ্ধি ছাড়া বিকাশ সম্ভব নয়। বিকাশ হল একটি বৃহত্তর জীবন বৈশিষ্ট্য। সাধারণত কোন জীবের পরিমাণগত অর্থাৎ দেহের শুষ্ক ওজনের পরিবর্তন ঘটার মাধ্যমে বৃদ্ধি সম্পন্ন হয়।কিন্তু বিকাশে শুধুমাত্র জীবদেহের পরিমাণগত নয় গুণগত পরিবর্তনও হয়ে থাকে। বহুকোষী জীবের কোষীয় বিভেদন দশা উৎপন্ন বিভিন্ন কলা ও কলাতন্ত্র জীবদেহের জটিলতা বৃদ্ধি করে অর্থাৎ ক্রমেই জীবের বিকাশ ঘটে জাইগোট থেকে জটিল পূর্ণাঙ্গ প্রাণী সৃষ্টি বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায় বিকাশ বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল।

22. মানুষের বার্ধক্য জনিত লক্ষণ গুলি কি কি?
উত্তর: মানুষের বার্ধক্য জনিত লক্ষণ :

  • পরিণত মানবদেহে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং তার মধ্যে বিভিন্ন অবনতি জনিত পরিবর্তন দেখা দেয় এই লক্ষণগুলি হলো-
  • অস্থি ও অস্থিসন্ধি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
  • দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি হ্রাস পায়।
  • স্মৃতি শক্তি দুর্বল হয়, হীনমন্যতা চুলের ধূসর বর্ণ প্রভৃতি সমস্যার শিকার হয়।

23. বয়সন্ধির বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর: বয়সন্ধি কালের বৈশিষ্ট্য :

  • এই সময়ে দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত ঘটে।
  • সাধারণত এই সময় থেকেই যৌন চেতনার উন্মেষ ঘটে ও বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হয।
  • মনোযোগ চিন্তাশক্তি বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও বুদ্ধির বিকাশ দ্রুত ঘটে।

মাধ্যামিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন : চিত্র অঙ্কন

1. একটি আদর্শ ক্রোমোজোমের পরিচ্ছন্ন চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করো—ক্রোমাটিড, সেন্ট্রোমিয়ার, গৌণ খাঁজ, টেলোমিয়ার - ক্রোমাটিড, সেন্ট্রোমিয়ার, NOR, টেলোমিয়ার।


MODEL ACTIVITY TASK

We Delivers & planning to Deliver here

Model Activity task Answer | Class 5 Model Task Answer | Class 6 Model Task Answer | Class 7 Model Task Answer | Class 8 Model Activity | Class 9 Model Activity Answer |Class 10 Model Activity Answer | Madhyamik Model Activity task | Study material | secondary education |wbbse social science contemporary India | 9th social science | free pdf download Bengal board of secondary | state government board of secondary education | chapter 6 population download NCRT | NCRT solutions for class 9 social science | NCRT book west Bengal board higher secondary | NCRT textbooks | west Bengal state class 9 geography | secondary examination physical features CBSE class | Model activity model WBBSE