Header Ads Widget

দ্রাব্যতা লেখ কাকে বলে? দ্রাব্যতা লেখ এর বৈশিষ্ট্য লেখ । Solubility graph and its properties

দ্রাব্যতা লেখ ও তার বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনায় আজকের পর্বের মূল বিষয়।নবম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞানের পদার্থ অধ্যায় এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রবন। আর তারই আলোচনা প্রসঙ্গে দ্রাব্যতা ও দ্রাব্যতা লেখ এর বিষয় চলে আসে। দ্রাব্যতা লেখ সম্পর্কে জানার আগে জানতে হবে আসলে দ্রাব্যতা কাকে বলে।

দ্রাব্যতা কাকে বলে ?

নির্দিষ্ট উষ্ণতায় 100 গ্রাম দ্রাবক সর্বাধিক যত গ্রাম দ্রাব দ্রবীভূত করতে পারে, সেই গ্রাম সংখ্যাকে ওই উষ্ণতায় ঐ দ্রাবকে ঐ দ্রাব এর দ্রাব্যতা বলে। অর্থাৎ যদি 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতায় 100 গ্রাম জলে সর্বাধিক 25 গ্রাম খাদ্য লবন দ্রবীভূত হতে পারে তাহলে বলা হয় যে, 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতায় জল খাদ্য লবণের দ্রাব্যতা 25।

দ্রাব্যতা লেখ কি বা কাকে বলে ?

উষ্ণতার পরিবর্তন এর সঙ্গে তরলে কঠিন পদার্থের দ্রাব্যতার যে পরিবর্তন হয় তা লেখ চিত্রের সাহায্যে সুন্দর ভাবে প্রকাশ করা যায়। গ্রাফ কাগজে x অক্ষ বরাবর দ্রবণের উষ্ণতা এবং y অক্ষ বরাবর পদার্থের দ্রাব্যতাকে নির্দেশ করে বিভিন্ন উষ্ণতায় দ্রাব্যতা নির্দেশক বিন্দুগুলিকে পরপর যোগ করলে যে লেখচিত্র পাওয়া যায় তাকে দ্রাব্যতা লেখ বলে।

দ্রাব্যতা লেখ এর বৈশিষ্ট্য কি ?

  1. দ্রাব্যতা লেখ সরল কিংবা বক্ররেখা হতে পারে। তবে অধিকাংশ দ্রাব্যতা লেখ বক্ররেখা হয়।
  2. দ্রাব্যতার লেখ এর মাধ্যমে উষ্ণতা বৃদ্ধি বা হ্রাস এর ফলে দ্রাব্যতার বৃদ্ধি কিংবা হ্রাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
  3. দ্রাব্যতা লেখ থেকে বোঝা যায় যে উষ্ণতা বৃদ্ধিতে দ্রাব্যতা বৃদ্ধি বা হ্রাস কত দ্রুত বা ধীরে হয়।
  4. নির্দিষ্ট দ্রাবকে প্রতিটি আলাদা আলাদা দ্রাবের আলাদা দ্রাব্যতা লেখ তৈরি হয়।

দ্রাব্যতা লেখ
চিত্রে পটাশিয়াম নাইট্রেট, সোডিয়াম ক্লোরাইড, কলিচুন ও গ্লবার লবণের দ্রাব্যতা দেখানো হয়েছে।

এই দ্রাব্যতা লেখ থেকে কি কি তথ্য জানা যায়

  • উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পটাশিয়াম নাইট্রেট এর দ্রাব্যতা দ্রুত বাড়ে।
  • উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্য লবন এর দ্রাব্যতা বৃদ্ধি খুব কম হয়।
  • গ্লবার লবন এর দ্রাব্যতা 32.4 ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ে কিন্তু পরে উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রাব্যতা ক্রমশ কমতে থাকে।
  • উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলিচুন এর দ্রাব্যতা সামান্য কমে যায়।

Post a comment

0 Comments