মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২১ | পর্ব ১ |পাখির উড্ডয়ন পালকের ভূমিকা

Madhyamik life science suggestion 2021 মাধ্যমিকে জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে প্রতিনিয়ত অনুশীলন করতে হবে বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর।এই পেজটিতে মাধ্যমিকের জীবন বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।
মাধ্যমিক ২০২১ জীবন বিজ্ঞান সাজেশন হিসেবে পরপর অনেকগুলো পোস্ট করা হবে।




মাধ্যমিক 2019 জীবন বিজ্ঞান সাজেশন পর্ব 1

উদ্ভিদের কান্ড আলোর দিকে বেঁকে যায় কোন চলন এর জন্য?
ফটোট্রপিক চলন এর জন্য।
থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধি ও ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে যে হরমোন তার নাম কি?
থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH)
তুমি মাইটোসিস কোষ বিভাজনের একটি দশায় ক্রোমোজোম গুলিকে কোষের কেন্দ্র বরাবর নিরক্ষীয় তলে সাজানো দেখলে। দশাটির নাম কি ?
মেটাফেজ দশা।
মস্তিষ্কের যে অংশটি দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে তার নাম কি?
লঘু মস্তিষ্ক বা সেরিবেলাম দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে।
কোষের প্রোটিন সংশ্লেষ এর সঙ্গে যুক্ত কোষ অঙ্গাণু টির নাম কি?
রাইবোজোম
মাছের মেরুদণ্ডের দু'পাশের অবস্থিত V আকৃতির পেশির নাম কি?
মায়োটোম পেশি
কোষ চক্রের কোন দশায় DNA সংশ্লেষ ঘটে?
S দশা বা সংশ্লেষণ দশা।
প্রতিসারক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে চোখের এমন একটি অংশের নাম লেখ।
অ্যাকুয়াস হিউমার।
মানুষের চোখের লেন্স অস্বচ্ছ হয়ে গেলে দৃষ্টির যে ত্রুটি দেখা যায় সেটিকে কি বলে?
ক্যাটারাক্ট বা চোখে ছানি পড়া বলে।

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের কোন দশায় নিউক্লিয়াসের পুনরাবির্ভাব ঘটে ?
টেলোফেজ দশায়।
মানুষের মস্তিষ্কের তিন স্তরবিশিষ্ট আবরণ কে কি বলে?
মেনিনজেস বলে।
স্নায়ু কোষ কেন বিভাজিত হতে পারে না?
প্রাণী কোষ বিভাজনের জন্য মুখ্য কোষ অঙ্গাণু হল সেন্ট্রোজোম। স্নায়ু কোষের নিষ্ক্রিয় থাকে বলে স্নায়ু কোষ বিভাজিত হতে পারে না।
নিউক্লিওটাইড এ উপস্থিত শর্করা ও বেস উল্লেখ করো।
ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা ও নাইট্রোজেন বেস।
শুক্রাশয় কি ধরনের গ্রন্থি রূপে কাজ করে ?
শুক্রাশয় একটি অন্তক্ষরা গ্রন্থি রূপে কাজ করে।
কোষ বিভাজনের কোন দশায় ক্রোমোজোম চলন দেখা যায়?
অ্যানাফেজ দশা।
র‌্যানভিয়ারের পর্ব ( Nodes of Ranveer ) কাকে বল ?
আ্যাক্সনের মেডুলারি আবরণ স্থানে স্থানে বিচ্ছিন্ন ভাবে অবস্থান করে। ওই অঞ্চলে নিউরেলেমা সংকুচিত হয়ে যে গঠন উৎপন্ন করে তাকে র‌্যানভিয়ারের পর্ব ( Nodes of Ranveer ) বলে।

কোন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে ?
অক্সিন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে।

নিচের কোনটি আলাদা:
অ্যাডেনিন , ইউরাসিল ,  গুয়ানিন , সাইটোসিন।
ইউরাসিল

মুকুল ও বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করা কোন উদ্ভিদ হরমোনের কাজ?
জিব্বেরেলিন মুকুল অবস্থা ভঙ্গ করে।

আপৎকালীন হরমোন হিসেবে অ্যাড্রিনালিন এর দুটি কাজ উল্লেখ করো।

  • অ্যাড্রিনালিন ব্রংকিওল এর পেশীকে শিথিল করে তাদের গহ্বরকে প্রসারিত করে।হাঁপানির সময় এড্রিনাল গ্রন্থির গুলিকে প্রসারিত করে শ্বাস কষ্ট লাঘব করে।
  • রাগ ভয় আনন্দ দুশ্চিন্তা প্রভৃতি উত্তেজনাকালে এই হরমোন ক্ষরণ বেড়ে যায় এই হরমোনের ক্রিয়াশীলতা দীর্ঘস্থায়ী নয় কিন্তু সেই অবস্থায় দেহকে মানসিকভাবে বিপদের মোকাবেলার সমর্থ করে তোলে।
  • অ্যাড্রিনালিন হার্ড উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং রক্তবাহ কে সংকুচিত করে রক্তচাপকে বাড়িয়ে দেয়।


মানুষের গমনে কংকাল পেশি দুটি ভূমিকা লেখ।

  • ফ্লেক্সন : বাইসেপস পেশি কনুই সন্ধি কে ভাগ হতে সাহায্য করে।
  • এক্সটেনশন পেশী: ট্রাইসেপস পেশি সংকুচিত হলে ভাঁজ করা হাত সোজা হয় অর্থাৎ পুরো বাহু বাহুর কাছে চলে থেকে দূরে সরে যায়।
  • এবডাকশন পেশী: ডেলটয়েড পেশী হাতকে দেহ অক্ষ থেকে দূরে সরে যেতে সাহায্য করে।
  • এডাকশন  পেশী : লাটিসিয়াম ডরসি দেহ অক্ষের নিকটবর্তী হতে সাহায্য করে।
  • রোটেশন পেশী: পাইরিফর্মিস পেশি ফিমারকে আবর্তিত করতে সাহায্য করে।


ট্রপিক ও ন্যাস্টিক চলন এর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ:
বিষয় ট্রপিক চলন ন্যাস্টিক চলন
অক্সিন দ্বারা প্রভাবিত ট্রপিক চলন অক্সিন হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয় ন্যাস্টিক চলন অক্সিন হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
নিয়ন্ত্রক ট্রপিক চলন উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হয় ন্যাস্টিক চলন উদ্দীপকের তীব্রতার উপর নির্ভর করে কিন্তু গতিপথের উপর নির্ভর করে না।
উদাহরণ উদ্ভিদ অঙ্গের আলোর দিকে চলন স্পর্শ করলে লজ্জাবতীর পাতা মুদে যায়।


কৃষিকার্যে অক্সিন হরমোনের দুটি ভূমিকা লেখ

  • মূলের বৃদ্ধি ঘটাতে ও ফলের বৃদ্ধি ঘটাতে অক্সিন হরমোন প্রয়োগ করা হয়।
  • কৃত্রিম অক্সফোর্ডে স্প্রে করে গাছের মুকুল কচি ফল ইত্যাদি ঝরে পড়া রোধ করা হয়।
  • কৃত্রিম অক্সিন ন্যাপথক্সি অ্যাসিটিক অ্যাসিড ও ইন্ডোল বিউটারিক অ্যাসিড প্রয়োগ করে পরাগ যোগ ছাড়াই বীজবিহীন ফল সৃষ্টি করা হয়।
নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের পার্থক্য নিরূপণ করো ।
সম্পাদনের স্থান ও ক্রোমোজোমের বিভাজন এর প্রকৃতি

বৈশিষ্ট্য মাইটোসিস মিয়োসিস
সম্পাদনের স্থান উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ মাতৃকোষ বিশেষ করে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় জনন মাতৃকোষ এর জনন কোষ সৃষ্টির সময় ঘটে
বিভাজনের প্রকৃতি এই প্রকার বিভাজনে প্রথমে নিউক্লিয়াস টিচারটি 10000 মাধ্যমে বিভাজিত হয় ওপরে সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে এই প্রকার কোষ বিভাজনে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয় এবং মাতৃ কোষ দু'দফায় বিভাজিত হয় চারটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়।

উদাহরণসহ গমনের যে কোন তিনটি চালিকা শক্তি সম্বন্ধে লেখ।

পাখির উড্ডয়ন পালকের ভূমিকা লেখ।

  • পাখির সারা দেহে পালক থাকে। দুটি দানার প্রান্তভাগে তেইশটি করে বড় পালক যেগুলি ডানার দল বৃদ্ধি করে উন্নয়নের সাহায্য করে এদের রেমিজেস বলে।
  • পুচ্ছভাগে 12 টি বড় পালক উন্নয়নের সময় দিক পরিবর্তনের সাহায্য করে এদের রেক্ট্রাইসেস বলে।


কোষ বিভাজনের দুটি তাৎপর্য লেখ ।
কোষ বিভাজনের প্রধান তাৎপর্য হলো:

  • বৃদ্ধি : জীবদেহের বৃদ্ধির জন্য কোষ বিভাজন হয়।কোষ বিভাজিত হয়ে কোষের সংখ্যা বাড়ে, ফলে জীব দেহের বৃদ্ধি ঘটে।
  • ক্ষয়পূরণ : আঘাতপ্রাপ্ত স্থানের মেরামতির জন্য কোষ বিভাজিত হয়।
  • প্রজনন : কোষ বিভাজনের দ্বারা এককোষী জীব দেহের বংশবিস্তার ঘটে। এছাড়া রেনু উৎপাদন ও গ্যামেট উৎপাদনের জন্য কোষ বিভাজিত হয়।


অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন কিভাবে ঘটে ?

  • অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম এর একইসঙ্গে বিভাজন ঘটে। অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপ গুলি হল :
  • প্রথমে নিউক্লিয়াস ডাম্বেল আকার ধারণ করে। তখন সাইটোপ্লাজম সহ সমগ্র কোষটি ডাম্বেল আকার ধারণ করে।
  • নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি অপত্য কোষ গঠন করে।
  • নিম্নশ্রেণির জীব রা অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিতে সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটায়।


 মাইটোসিসের প্রোফেজ দশার তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
 মাইটোসিস কোষ বিভাজনের সর্বপ্রথম দশা হলো প্রোফেজ দশা। এই দশার বৈশিষ্ট্যগুলি হল -

  •  এই দশায় ক্রোমাটিন সূত্রগুলি জল বিয়োজন ঘটিয়ে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।
  •  ক্রোমাটিন সূত্রগুলি কুণ্ডলী কৃত হয়ে ক্রমশ ছোট ও মোটা হয় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম সৃষ্টি করে।
  •  প্রতিটি ক্রোমোজোম সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চল ছাড়া লম্বালম্বিভাবে  বিভাজিত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিড গঠন করে।ক্রোমাটিড দুটি পরস্পর সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চলে সংলগ্ন থাকে।
  •  প্রতিটি ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিড দুটি পরস্পরকে নিবিড় ভাবে পেচিয়ে অবস্থান করে। পেঁচানো অবস্থাকে প্লেক্টোনােমিককুণ্ডলী এবং প্যাঁচানো পদ্ধতিকে স্পাইরাইলেজেশন বলে। 


কোষ চক্রের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হলে কি সমস্যা হয় ?
 যদি কোনও কোষের ডিএনএতে কোনও ত্রুটি থাকে যা মেরামত করা যায় না, তবে এটি প্রোগ্রামেড সেল ডেথ (অ্যাপোপটোসিস) সহ্য করতে পারে।  অ্যাপোপটোসিস সারা জীবন জুড়ে একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা দেহকে তার প্রয়োজন হয় না এমন কোষ থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।  অ্যাপাটোসিস সহ্য করা কোষগুলি আলাদা হয়ে যায় এবং ম্যাক্রোফেজ নামে এক ধরণের শ্বেত রক্ত ​​কোষ দ্বারা পুনর্ব্যবহৃত হয়।  অ্যাপোপ্টোসিস জিনগতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ কোষগুলি ক্যান্সারে আক্রান্ত করতে পারে এবং এটি ভ্রূণের বিকাশে এবং কোষগুলি বিনা নির্দেশে বিভাজন করতে পারে এবং জেনেটিক ত্রুটিগুলি জমা করতে পারে যা ক্যান্সারজনিত টিউমার হতে পারে।

Tag: madhyamik life science suggestion 2021
Madhyamik common life science 2021