Class VI Poribesh O Bigyan Full Suggestion 2nd Unit test | ক্লাস সিক্স পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন

ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান সাজেশন দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট : ধাতু, সংকর ধাতু, জ্বালানি, রক্তসঞ্চালন, শ্বাসতন্ত্র, পরিমাপ, বল, শক্তি, খাদ্যশৃঙ্খল ও চাপ

তুমি কি ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ো? তুমি কি ষষ্ঠ শ্রেণির দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট পরীক্ষার পরিবেশ ও বিজ্ঞান এর সাজেশন খুঁজছো তাহলে তুমি ঠিক জায়গায় এসেছ। 

এখানে পরিবেশ ও বিজ্ঞান এর দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট এর সমস্ত সাজেশন এই একটিমাত্র পোস্ট এর মধ্যে দেওয়া হল। 

ক্লাস সিক্স পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন 

vi-science-2nd


(143) নিচের ছকটি মেলাও।

শিলা পরিবর্তিত শিলা
1. গ্রানাইট a) মার্বেল
2. চুনাপাথর b) স্লেট পাথর
3. কাদা পাথর c) অ্যাম্ফিবোলাইট
4. ব্যাসাল্ট d) নিস

উত্তর: 1 →d; 2→a; 3→b; 4 → c


(144) ধাতুর খনিজ বা মিনার‍্যাল কাকে বলে?

উত্তর: প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধাতুর নানান যৌগ বালি-মাটি ইত্যাদির সঙ্গে মিশে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের ধাতুর খনিজ বা মিনার‍্যাল বলে। যেমন - বক্সাইট।

(154) রাংঝাল কি?

উত্তর: ধাতুর জিনিস জোড়া দেওয়ার জন্য যে সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয় তাকে রাংঝাল বলে।


(155) কোন কোন ধাতু মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়?

উত্তর: তামা ও টিন।

(156) নিচের ছক পূরণ কর।

সংকর ধাতু উপাদানগুলি
পিতল তামা ও দস্তা
ব্রোঞ্জ তামা ও টিন
কাঁসা তামা ও দস্তা
ইস্পাত লোহা ও কার্বন
স্টেইনলেস স্টিল লোহা ও ক্রোমিয়াম
ফিউজ তার সীসা ও টিন
গয়নার সোনা সোনা ও রুপা


(159) স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি গ্লাসে মরচে পড়ে না কেন?

উত্তর: স্টেইনলেস স্টিল তৈরি হয় লোহা ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে। ক্রোমিয়াম মেশালে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়া করার ক্ষমতা কমে যায়। তাই মরচে পড়ে না।

(160) ইস্পাত দিয়ে তৈরি ব্রিজ সহজে ভেঙ্গে পড়ে না কেন?

উত্তর: ইস্পাত তৈরি হয় লোহার সঙ্গে কার্বন মিশিয়ে। এর ফলে লোহার ক্ষমতা অনেকগুণ বেড়ে যায়। তাই ইস্পাত দিয়ে তৈরি ব্রিজ সহজে ভেঙ্গে পড়ে না।

(165) জ্বালানি কাকে বলে?

উত্তর: যা পুড়িয়ে তাপশক্তি পাওয়া যায় তাকেই জ্বালানি বা Fuel ⛽ বলে। যেমন: শুকনো কাঠ, কয়লা ইত্যাদি।


(173) LPG এর পুরো কথা কি?

উত্তর: লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস।

(175) CNG এর প্রধান উপাদান কি?

উত্তর: মিথেন।

(176) LPG ও CNG এর মধ্যে কোনটি কম বায়ুদূষণ ঘটায়?

উত্তর: CNG ।

(178) পেট্রোলিয়াম শোধনের সময় কি কি জিনিস পাওয়া যায়?

উত্তর প্লাস্টিক, ঘর্ষণ কমানোর তেল, রং, ন্যাপথালিন, বিভিন্ন কৃত্রিম তন্তু।

(183) শিরা কাকে বলে?

উত্তর: যে রক্তবাহের মাধ্যমে রক্ত দেহ থেকে হৃদপিন্ডে ফিরে যায়, সেগুলোকে শিরা বলে।

(190) হৃদপিন্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বড় প্রকোষ্ঠ কোনটি?

উত্তর: বাম নিলয়।

(191) বাম অলিন্দ ও বাম নিলয় এর মাঝে কোন কপাটিকা থাকে?

উত্তর দ্বীপত্র কপাটিকা।

(196) তোমার হৃদস্পন্দন মিনিটে কতবার?

উত্তর: 72 থেকে 80 বার।

◽প্রাপ্তবয়স্কদের হৃদস্পন্দন মিনিটে প্রায় 72 বার।


(202) রক্তরস বা প্লাজমা এর কাজ লেখ।

উত্তর:

  • খাবার হজম হওয়ার পর খাবারের কণা বয়ে নিয়ে যাওয়া।
  • ${CO_2}$ ও ক্ষতিকারক যৌগ ফুসফুস ও বৃক্কে পৌঁছে দেওয়া।
  • রোগ জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।


(210) শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা লড়াই করে পেরে ওঠে না এমন কতগুলি রোগের জীবাণুর নাম লেখ।

উত্তর: টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া, কোভিড-১৯ ইত্যাদি।

(211) চোখের কোনায় পিচুটি জমে কেন?

উত্তর: চোখে জীবাণু প্রবেশ করলে সেই জীবাণুকে চোখের জলে থাকা জীবাণু ধ্বংসকারী রাসায়নিক পদার্থ ও শ্বেত রক্তকণিকা মেরে ফেলে। মরা জীবাণুগুলো আর মৃত শ্বেত রক্তকণিকা পিচুটি তৈরি করে।

(212) মানুষের লালায় কোন জীবাণু ধ্বংসকারী রাসায়নিক পদার্থ থাকে?

উত্তর: লাইসোজাইম।

(213) পাকস্থলীতে কোন জীবাণুনাশক পদার্থ থাকে?

উত্তর: হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড।

(217) ক্রমশাখা বা ব্রংকাস কাকে বলে?

উত্তর: শ্বাসনালী দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এই ভাগ দুটিকে ক্রমশাখা বা ব্রংকাস বলে।

(218) ব্রঙ্কিওল কাকে বলে?

উত্তর: ক্রমশাখা বা ব্রংকাস এর শাখা গুলিকে ব্রঙ্কিওল বলে।

(219) ফুসফুসের রং কেমন?

উত্তর: কালচে গোলাপী।

(220) যারা বিড়ি - সিগারেট খান তাদের ফুসফুসে এর কি ক্ষতি হয়?

উত্তর: কালো কালো ছোপ পড়ে।

(221) মানুষের প্রতিটি ফুসফুসে কতগুলি বায়ু থলি থাকে?

উত্তর: প্রায় ১০ কোটি।

(222) মধ্যচ্ছদা কি?

উত্তর: বুক আর পেটের মাঝখানে ভেতরে একটা পেশী আছে। এর নাম মধ্যচ্ছদা বা ডায়াফ্রাম।

(225) ফুসফুসের চারটি সমস্যা লেখ।

উত্তর:

  • খুব কাশি হওয়া ও দম নিতে কষ্ট হওয়া।
  • শীতকালে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ও সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া।
  • কাশির সঙ্গে রক্ত পড়া।
  • শ্বাস নেওয়ার সময় নাকের পাটা দুটো ফুলে ওঠা।

(232) বৃক্কের দুটি সমস্যা লেখ।

উত্তর:

  • মূত্রের সময় ফেনা উৎপন্ন হওয়া।
  • মূত্রের পরিমাণ আগের তুলনায় কমে যাওয়া।
  • গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া।
  • কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া।


(233) অক্ষীয় কঙ্কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে হাড়গুলো দেহের ঠিক মাঝখানে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর থাকে সেগুলোকে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে।

যেমন: বক্ষপিঞ্জর, মেরুদন্ড।

(234) উপঙ্গীয় কঙ্কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে হাড়গুলো দেহের পাশে ঝোলে সেগুলোকে উপঙ্গীয় কঙ্কাল বলে।

যেমন: পেক্টরাল গার্ডল।

(236) অস্থিসন্ধি কাকে বলে?

উত্তর: হাড়ের জোড়কেই অস্থিসন্ধি বলে।

(240) ঈষৎ সচল অস্থিসন্ধি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যেসব অস্থিসন্ধি অল্প অল্প নড়াচড়া করে তাকে ঈষৎ সচল অস্থিসন্ধি বলে।

যেমন: মেরুদন্ডের অস্থিসন্ধি।

(242) বল ও সকেট সন্ধি কত ডিগ্রী কোন পর্যন্ত ঘোরানো যায়?

উত্তর: 360° ।


(244) এমন একটি অস্থি সন্ধির নাম লেখ যেখানে দুইয়ের বেশি অস্থি আছে।

উত্তর: হাতের কব্জির অস্থিসন্ধি।

(248) দৈর্ঘ্য মাপতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: স্কেল, দৈর্ঘ্য মাপক ফিতে ইত্যাদি।

(251) কোন যন্ত্রের সাহায্যে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়?

উত্তর: স্প্রিং তুলা।

(254) দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা = ______

উত্তর: আয়তন।

(255) ঘনত্ব = ভর ÷ _____।

উত্তর: আয়তন।

(257) ভৌত রাশি কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: দুই প্রকার।

  1. প্রাথমিক রাশি বা মৌলিক রাশি।
  2. লব্ধ রাশি।

(261) আয়তন = $\dfrac{ভর}{\boxed{{}} }$

উত্তর: ঘনত্ব।

$\therefore$ একক ঘনত্বের ভরকেই আয়তন বলে।

(264) সময় এর একক কি? এটি কি ধরনের একক?

উত্তর: সময় এর একক সেকেন্ড। এটি একটি মৌলিক একক।

(266) বিঘত কোন রাশির একক?

উত্তর: দৈর্ঘ্যের একক।

(268) বিঘত বা হাত ইত্যাদি একক ব্যবহারের অসুবিধা কি?

উত্তর: বিঘত বা হাত ইত্যাদি একক ব্যবহারের ক্ষেত্রে একই বস্তুর দৈর্ঘ্য পরিমাপের সময় একেকজনের ক্ষেত্রে একেক পরিমাপ পাওয়া যায়।

(269) প্রাচীনকালে গ্রিসে দৈর্ঘ্যের একক হিসাবে ____ ব্যবহার করা হতো।

উত্তর: বিঘত।

(270) প্রাচীন মিশরে দৈর্ঘ্যের একক হিসাবে _____ ব্যবহার করা হতো।

উত্তর: হাত বা Cubit।

(272) SI পদ্ধতি কত সালে তৈরি করা হয়েছিল? এর পুরো কথা কি?

উত্তর: 1960 সালে।

◽ Systeme International

(273) প্রাথমিক রাশি কয়টি ও কি কি?

উত্তর: সাতটি প্রাথমিক একক হল –

  1. দৈর্ঘ্য
  2. ভর
  3. সময়
  4. তড়িৎ প্রবাহ
  5. আলোর তীব্রতা
  6. অণু-পরমানুর পরিমাণ
  7. উষ্ণতা

(274) সাতটি প্রাথমিক রাশি বা মৌলিক রাশির CGS ও SI পদ্ধতিতে একক গুলি লেখ।

উত্তর: CGS ও SI পদ্ধতিতে প্রাথমিক রাশির একক গুলি –

চিত্র রাশি CGS একক SI একক
দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটার (cm) মিটার (m)
ভর গ্রাম (g) কিলোগ্রাম (kg)
সময় সেকেন্ড (s) সেকেন্ড (s)
তড়িৎ প্রবাহ অ্যাম্পিয়ার (A) অ্যাম্পিয়ার (A)
আলোর তীব্রতা ক্যান্ডেলা (cd) ক্যান্ডেলা (cd)
অণু-পরমাণুর পরিমাণ মোল (mol) মোল (mol)
উষ্ণতা ডিগ্রি সেলসিয়াস (°C) কেলভিন (K)



(278) 1 মিটারের _____ গুণ = 1 কিলোমিটার।

উত্তর: 1000 ।

(279) দৈর্ঘ্যের SI একক কি? এর আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা লেখ। (প্রমাণ মিটারের সংজ্ঞা)

উত্তর: মিটার।

সংজ্ঞা: ফ্রান্সের প্যারি শহরে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অফ ওয়েট এন্ড মেজার্স (BIPM) নামক সংস্থায় প্লাটিনিয়াম (90%) ও ইরিডিয়াম (10%) এর সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি একটি দন্ডের দু প্রান্তের দুটি নির্দিষ্ট দাগের মাঝের দূরত্বকে 1 মিটার বলা হয়।



(281) SI পদ্ধতিতে ভরের একক কি?

উত্তর: কিলোগ্রাম।

(285) কোন যন্ত্রের সাহায্যে তরলের আয়তন মাপা হয়?

উত্তর: মাপনী চোঙ।


(286) বস্তুর আয়তন কাকে বলে?

উত্তর: কোন বস্তু যতটা স্থান দখল করে থাকে তাকে ওই বস্তুর আয়তন বলে।


(287) SI পদ্ধতিতে আয়তনের একক কি?

উত্তর: ঘন মিটার।

(291) 1 লিটার = ______ ঘন ডেসিমিটার।

উত্তর: 1 ।

(292) 1 লিটার = ____ মিলিলিটার।

উত্তর: 1000 ।

(293) সময় কাকে বলে? সময় মাপার যন্ত্রের নাম কি?

উত্তর: দুটি ঘটনার মাঝের ব্যবধান কে সময় বলে।

সময় মাপার যন্ত্র হলো ঘড়ি।

(295) গড় সৌর দিনকে 24 দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায় ____।

উত্তর: 1 ঘন্টা।

(297) সূক্ষ্ম সময় মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: ডিজিটাল স্টপ ওয়াচ বা ডিজিটাল স্টপ ক্লক।

(299) Digital stopwatch (ডিজিটাল স্টপওয়াচ) এর মাধ্যমে নূন্যতম কত সেকেন্ড মাপা যায়?

উত্তর: 0.01 সেকেন্ড বা 1 সেন্টিসেকেন্ড।

(300) সূক্ষ্ম সময় পরিমাপের প্রয়োজন পড়ে এমন তিনটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সূক্ষ্ম সময় পরিমাপের প্রয়োজন পড়ে-

  • রকেট লঞ্চ করতে।
  • বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে।
  • দৌড় প্রতিযোগিতায়।

(303) আনুমানিক পরিমাপ বা আন্দাজ ব্যবহার করা হয় এমন দুটি কাজের উদাহরণ দাও।

উত্তর: এমন কাজ হলো -

  • গাড়ি চালানোর সময় ব্রেক কষা।
  • রান্না করার সময় লবণ মসলা ইত্যাদি দেওয়া।
  • শরীরের জ্বর এসেছে কিনা তা মোটামুটি বুঝতে।


(306) পুষ্টি ভালো হলে স্বাস্থ্যের লক্ষণগুলো কেমন হয়?

উত্তর: পুষ্টি ভালো হলে স্বাস্থ্যের লক্ষণ গুলো ভালো হয়। যেমন –

  • মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক
  • দুর্গন্ধহীন নিঃশ্বাস
  • শরীরে কম মেদ
  • সুগঠিত পেশি
  • দৃঢ় ও মজবুত হাড়
  • ভালো ঘুম।
  • কায়িক শ্রমে সহজে ক্লান্তি না আসা।

(310) ডোয়ারফিজম কাকে বলে?

উত্তর: দেহ ও হাড় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃদ্ধি পেলে যে শারীরিক গঠন তৈরি হয় তাকে ডোয়ারফিজম বলে।


(319) আমাদের উচ্চতা কোন স্কেলে মাপা হয়?

উত্তর: সেন্টিমিটার স্কেলে।

(322)

ছবিতে রবিন স্কুলে যাচ্ছে। রবিনের দেখা স্থির বস্তু নয় এমন নাম লেখ।

উত্তর: অটো গাড়ি, খরগোশ, মোটরবাইক, পাখি, অন্য ছাত্রছাত্রী।

(326) কোনো স্থির বস্তুকে গতিশীল করতে বা গতিশীল বস্তুর বেগ বাড়াতে, কমাতে বা শূন্য করে দিতে বা গতির দিক বদল করতে বাইরে থেকে কি প্রয়োগ করতে হয়?

উত্তর: বল।

(327) টানা ও ঠেলা বল এর মধ্যে কোনটি ব্যবহার করা হয় লেখো।

  1. ফুটবলে কিক করলে।

উত্তর: ঠেলা বল।


(331) CGS পদ্ধতিতে বলের একক কি?

উত্তর: ডাইন।

বি: দ্র: 1 নিউটন = 100000 ডাইন।

(333) স্পর্শ ছাড়া ক্রিয়াশীল দুটি বলের উদাহরণ দাও।

উত্তর: অভিকর্ষ বল ও চৌম্বক বল।

(336) অভিকর্ষ বল কাকে বলে? এর আরেক নাম কি?

উত্তর: পৃথিবীর প্রতিটি বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে। এই টানকেই অভিকর্ষ বল বলে।

◽ এর আরেক নাম ওজন বা ভার।

(338) শক্তি কাকে বলে?

উত্তর: কাজ করার সামর্থ্যকেই শক্তি বলে।

(346) স্থিতিশক্তি কাকে বলে?

উত্তর: বস্তুর আকৃতির পরিবর্তন ঘটালে বস্তুর মধ্যে কাজ করার সামর্থ্য বা শক্তির জোগান হয়। এই শক্তিকে স্থিতি শক্তি বলে।

(353) সত্য / মিথ্যা লেখো: শক্তি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কিন্তু ভরহীন।

উত্তর: সত্য।

(354) উৎস অনুযায়ী খাদ্য উৎস কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: দুই প্রকার। যথা– প্রাণিজ উৎস ও উদ্ভিজ্জ উৎস।

(362) কিভাবে জলবিদ্যুৎ তৈরি করা হয়?

উত্তর: খরস্রোতা নদীর স্রোতে টারবাইন বসিয়ে দিলে টারবাইনটা খুব জোরে জোরে ঘুরবে। এর ফলে যান্ত্রিক শক্তি (গতিশক্তি) থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হবে।

(363) পর্বতের মাথায় জমে থাকা বরফ কি করে তৈরি হলো?

উত্তর: সূর্যের উত্তাপে নদী নালা ও বিভিন্ন জলাশয়ের জল বাষ্প হয়ে উপরে উঠে যায়। পর্বতের উপরে উষ্ণতা খুব কম হওয়ায় সেখানে সেই জলীয় বাষ্প থেকে তুষারপাত হয় এবং বরফ আকারে জমা হয়।

(365) খাদক কাকে বলে?

উত্তর: যারা অন্য কোন উদ্ভিদ বা প্রাণীকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের খাদক বলে। যেমন – ফড়িং।

(368) সর্বভুক কাদের বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যেসব প্রাণী উৎপাদক, প্রথম শ্রেণীর খাদক ও দ্বিতীয় শ্রেণীর খাদক - সকলকেই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের সর্বভুক (Omnivorous) বলে। যেমন– মানুষ, কাক, আরশোলা ইত্যাদি।

(369) উদ্ভিদকে উৎপাদক বলে কেন?

উত্তর: সৌর শক্তির সাহায্যে নিজের দেহে নিজেই খাদ্য উৎপাদন করে বলে উদ্ভিদকে উৎপাদক বলে।

বি: দ্র: উদ্ভিদকে স্বভোজী ও বলা হয়।

(370) ফাইটোপ্লাঙ্কটন বাস্তু তন্ত্রের একটি –উৎপাদক / প্রাথমিক খাদক / গৌণ খাদক / প্রগৌণ খাদক।

উত্তর: উৎপাদক।

উদাহরণ: ডায়াটাম, ডিনোফ্লাজিলেট।


(371) খাদ্য শৃংখল কাকে বলে?

উত্তর: পর্যায়ক্রমিক খাদ্য-খাদক সম্পর্কযুক্ত শৃংখলকেই খাদ্যশৃংখল (Food chain) বলে।

(373) একটি তৃণভূমির খাদ্যশৃংখল এর উদাহরণ দাও।

উত্তর: সূর্য → ঘাস → ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → ময়ূর → বাঘ

(382) ব্যবহারের উপর নির্ভর করে শক্তি উৎস কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: তুই প্রকার। যথা–

  1. প্রচলিত বা চিরাচরিত শক্তি উৎস।
  2. অপ্রচলিত বা অচিরাচরিত শক্তি উৎসব।

(384) অচিরাচরিত বা অপ্রচলিত শক্তি উৎস কাকে বলে?

উত্তর: যে সমস্ত শক্তি উৎস প্রকৃতিতে অফুরন্ত এবং যা পুনরায় ব্যবহার করা যায়, সেগুলোকে অচিরাচরিত বা অপ্রচলিত শক্তি উৎস । যেমন– বায়ু শক্তি, সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ শক্তি ইত্যাদি।

(388) ঘর্ষণ বল বস্তু দুটির ______ বরাবর সমান্তরালে ক্রিয়া করে।

উত্তর: স্পর্শতল।

(390) ঘর্ষণের ফলে যে বস্তুর ক্ষয় হয় তার একটি উদাহরণ সহ প্রমাণ লেখ।

উত্তর: ইরেজার দিয়ে লেখা মুছার সময় ঘর্ষণ ব্যবহার হয়। এর ফলে ইরেজার ছোট হতে থাকে। ঘর্ষণের ফলে বস্তুর ক্ষয় হয় এটা তার একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

(391) ঘর্ষণের ফলে বস্তুর ক্ষয় হয় এমন একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: গাড়ির টায়ারের সঙ্গে রাস্তার ঘর্ষণের ফলে টায়ারের ক্ষয় হতে থাকে।

(401) 1 কিলো পাস্কাল = কত পাস্কাল ?

উত্তর: 1000 পাস্কাল।

(402) সুচ, পেরেক, স্ক্রু ইত্যাদির অগ্রভাগ সূচালো করা হয় কেন?

উত্তর: ইত্যাদির অগ্রভাগ সূচালো করায় অগ্রভাগের ক্ষেত্রফল কমে যায় এবং এর ফলে চাপ বেশি হয় যাতে সহজেই তা ভিতরে প্রবেশ করতে পারে।

(403) তরলের চাপ এর সাথে তরলের গভীরতার কি সম্পর্ক?

উত্তর: সরল সম্পর্ক অর্থাৎ তরলের গভীরতা বাড়লে চাপ বাড়ে।

(406) প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এর মান কত?

উত্তর: 76 সেমি পারদস্তম্ভের চাপের সমান।

(407) বায়ুর চাপ কোথায় সবচেয়ে বেশি হয়? সমুদ্রপৃষ্ঠে / পাহাড়ে / চাঁদে ।

উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠে।

(408) নদীর বাঁধের তলদেশ চওড়া করা হয় কেন?

উত্তর: তরলের গভীরতা বাড়লে চাপ বাড়ে। বাঁধের তলদেশ চওড়া না করা হলে জলের চাপে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। তাই বাঁধের তলদেশ চওড়া করা হয়।


About the Author

Teacher , Blogger, Edu-Video Creator, Web & Android App Developer, Work under Social Audit WB Govt.

Post a Comment

Please Comment , Your Comment is Very Important to Us.