VRP NEWS | শেষ পর্যন্ত ভার্চুয়াল অনশনের পথে গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা । VRP দের পাশে থাকার আবেদন জানাচ্ছি

গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা বর্তমানে রাজ্যের সকল দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের পাশে দাঁড়ানো সেইসব কর্মী যারা শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্বেও দুবেলা দুমুঠো পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্যই বেছে নিয়েছিল এই কাজটিকে। বর্তমানে সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করতে করতে এই কাজটায় পরিণত হয়েছে তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে। বর্তমানে তারা ভালোবেসে ফেলেছে এই কাজটিকে। একথার প্রমাণ তখন পাওয়া যায় যখন প্রখর রৌদ্রের মধ্যে স্বাস্থ্য সাথী এর কুপন , খাদ্য সুরক্ষার কুপন বিলি করেও শূন্য হাতে ফিরেও তারা প্রতিবাদ করেনি।


গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা ডাক দিলেন ভার্চুয়াল অনশনের ।

আজকে যেখানে রাজনৈতিক দল গুলো ভার্চুয়াল রেলির মাধ্যমে জনসমর্থন বাড়ছে সে ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বলা যায় ভার্চুয়াল  স্ট্রাইক একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে যে কোনো কর্মী সংস্থার জন্য। 1999 সালের জুলাইয়ে মেরিডিয়ানা এয়ারলাইন্সে কোম্পানির চুক্তি পুনর্নবীকরণ নিয়ে আলোচনার সময় পাইলট এবং ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টরা ইতালির প্রথম "ভার্চুয়াল স্ট্রাইক" মঞ্চস্থ করে।"ভার্চুয়াল স্ট্রাইক" এর মাধ্যমে শ্রমিকরা গ্যারান্টি দিয়েছিল যে ফ্লাইটের শিডিউল ব্যাহত হবে না।

ভার্চুয়াল অনশনে VRP : চিত্র ক্রেডিট সন্তোষ রায়

কিন্তু এভাবে তো আর সারা জীবন চলতে পারে না।তাই 25040 গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের ভেতর থেকে কখনো কখনো লড়াকু গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের উঠে আসতে দেখা যায় নতুন কোন পন্থা নিয়ে, নতুন ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে।
আজকে আমরা নতুন ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর এক নতুন পন্থা কে আবিষ্কার করলাম দুই লড়াকু গ্রামীন সম্পদ কর্মী ভার্চুয়াল অনশনের ডাক থেকে।এইসব লড়াকু গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা অন্যান্য সাধারণ গ্রামীন সম্পদ কর্মী দের নিজেদের পাশে পেতে চায় কিন্তু বিভিন্ন কৌশলে সে গুলোকে অসম্ভব এ পরিণত করা হয়।

আরো পড়ুন | ভিআরপি রা করবে খাদ্য সরবরাহ বিভাগের তদারকি ও পরিদর্শন । VRP for monitoring and Supervision PDS

কোচবিহারের মাথাভাঙ্গা ব্লকের আমাদের SAVRP সন্তোষ বাবু এবং গৌরাঙ্গ বাবু নিজের বাড়িতে ভার্চুয়াল অনশনে বসেছেন।ভি আর পি দের দীর্ঘদিনের দাবি, মাসিক বেতন এবং নির্দিষ্ট সিস্টেমের মধ্যে আনা। সঙ্গে একজন সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং নুন্যতম ১৮৫০০ থেকে ২২২০০ টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে এই অনশন।




সরকার কি তাহলে শুধুই ভোটের রাজনীতি বোঝে? এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না পেলেও যখন কোভিদ এর কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম দিন-রাত 24 ঘন্টা দেওয়া সত্ত্বেও আশা দের বেতন বাড়ানো হয় তখন তার উত্তর অনুভব করতে কারোর কষ্ট হয়না।

প্রসঙ্গে একথা অবশ্যই উল্লেখ করা প্রয়োজন যে আসলে গ্রামীন সম্পদ কর্মী কারা এবং এরা আসলে কি কি কাজ করে ? 


আপনারা যারা গ্রামীন সম্পদ কর্মী তারা অবশ্যই জানেন কিন্তু আমাদের এই পোস্ট যে সমস্ত পশ্চিমবঙ্গের বা বাইরের নন ভিআরপি ভাই-বোনেরা পড়ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি, গ্রামীন সম্পদ কর্মী দের নিয়োগ করা হয়েছিল সামাজিক নিরীক্ষা কাজের জন্য।সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সামাজিক নিরীক্ষা ছিল তাদের কাজ যা বর্তমানে তাদের করতে হয় বছরও 15 দিন। শর্ত হিসেবে অন্য কোন কাজের সাথে  যুক্ত থাকতে পারেন না। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ব্লকে কমপক্ষে 50 থেকে 100 জন করে গ্রামীন সম্পদ কর্মী রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত পিছু 5 থেকে 10 জন আবার কোথাও আবার বড় অঞ্চলের ক্ষেত্রে বেশি। সেখানে তারা বর্তমানে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কাজটি করছে। পারিশ্রমিক সাড়ে তিন হাজার টাকা। টাকাটা অনেকটা বেশি তাই না ? সেটা তো মনে হবেই কারণ যেখানে আমাদের দেশে নেতা-মন্ত্রীদের প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা একাউন্টে ঢুকেছে সে ক্ষেত্রে সাড়ে 3 হাজার টাকা কম কিসের ?

আরো পড়ুন | সোশ্যাল অডিট 150 দিন ! আদতে কি ভিআরপিরা পাবে 150 দিন কাজ ? Social Audit 150 days

বর্তমানে পরিযায়ী শ্রমিকদের রাখা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে। তাদের দেখাশোনার জন্য তাদের বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেওয়ার জন্য গ্রামীন সম্পদ কর্মী রয়েছেন।আপনি পশ্চিমবঙ্গের যে কোন একটা জায়গায় যান খোঁজ নিন দেখবেন সেখানে গ্রামীন সম্পদ কর্মী রায় করোনা নিয়ন্ত্রণের কাজে নিজের জান দাওয়াই লাগিয়েছে। কিন্তু তাদের তুলে আনা তথ্যকে পেশ করা হচ্ছে আইসিডিএস আশা সংগ্রহ করা তথ্য হিসেবে।

আপনি কি জানেন এই সব কিছুর পিছনে মূল কারা রয়েছে ? 


আমি সরাসরি না বলতে পারলেও চলুন একটা ব্লাইন্ড রিপোর্ট করি । আপনি ভেবে দেখুন যে কোনও কাজ এ আসলে আপনাকে কোথায় ডাকা হয় মিটিং এর জন্য ? আপনাকে বর্তমানে পঞ্চায়েতের উপর অন্য কোন সরকারি অফিস থেকে ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয় ? সেখানে যারা কর্মরত রয়েছে তারাই দিনরাত ব্যবহার করতে চাইছে কিন্তু ক্রেডিট দিতে একচুলও ইচ্ছুক নয়।আপনাকে দিয়ে প্রচন্ড কাজের বোঝা গুলো বয়ে নিতে পারবে তারা এটা ভেবেই আপনার প্রতি মিষ্টিমুখ দেখিয়ে কাজগুলো করিয়ে নেবে ।